Jagonews24
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকার যান্ত্রিকতা ছেড়ে নাড়ির টানে গ্রামের পথে ছুটছেন নগরবাসী। পরিবারের সদস্য ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন তারা। ফলে ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে রাজধানী। ঈদ উপলক্ষে লাখ লাখ মানুষের গ্রামে চলে যাওয়ার এ সময়টায় যারা ঢাকায় থাকেন তারা অনেকটা স্বস্তিতে চলাফেরা করতে পারেন। কয়েকদিন যে কোনো এলাকায় দ্রুততম সময়ে পৌঁছানো যায়। যানজট না থাকায় ইচ্ছামতো বিভিন্ন মার্কেটে কেনাকাটাসহ প্রয়োজনীয় নানা কাজ দ্রুত সেরে ফেলা যায়, যা অন্য সময়ে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (২৬ মে) সরেজমিনে দেখা গেছে, ভিআইপিসহ বিভিন্ন সড়ক এবং পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে জন ও যান চলাচল অনেকটাই কমে গেছে। ফাঁকা রাস্তায় দ্রুতগামী যানবাহন আরও দ্রুত বেগে গন্তব্যে ছুটে চলেছে। তবে ফাঁকা ঢাকায় ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করা মানুষদের এ আনন্দে বাগড়া দিচ্ছে বৃষ্টি। আজ দুপুরের মুষলধারে বৃষ্টিতে অনেকেই কাকভেজা হয়েছেন। যদিও আবহাওয়া অধিদপ্তর আগে থেকেই বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছিল। দুপুরের বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ১টার দিকে নিউমার্কেটের সামনে গিয়ে দেখা যায়, আগের দিন সোমবারের মতো মঙ্গলবারও বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে যানবাহন ও মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এসময় হাঁটুসমান পানিতে দাঁড়িয়ে এক প্রাইভেট কারচালককে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। তিনি বলছিলেন, ‘স্যার, বৃষ্টির পানি গাড়িতে ঢুকে গেছে।’ পরে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, গুলশান থেকে তার গাড়ির মালিক নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে এসেছেন। তবে এমন পরিস্থিতির কথা জানলে এদিকে আসতেন না। পাশেই দেখা যায়, এক কিশোর রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ড ধরে হেঁটে আসছে। সে বলে, ‘নিউমার্কেটের এ রাস্তায় আসলে বিনা পয়সায় কক্সবাজারের ফিল পাওয়া যায়।’ এদিকে, বৃষ্টির কারণে অনেকেই কোরবানির হাটে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়ছেন। হাটগুলো কাদা-পানিতে একাকার হয়ে আছে। লালবাগের বাসিন্দা হিরু মিয়া বলেন, ‘ভালো কইরা দেইখা-শুইনা গরু কিনমু, কিন্তু বৃষ্টির লাইগা ঠিকমতো দেখতে পারতাছি না।’ এমইউ/একিউএফ
Go to News Site