Collector
শেষ সময়েও ক্রেতার খরা মিরপুরের মার্কেটগুলোতে | Collector
শেষ সময়েও ক্রেতার খরা মিরপুরের মার্কেটগুলোতে
Jagonews24

শেষ সময়েও ক্রেতার খরা মিরপুরের মার্কেটগুলোতে

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় নেমে এসেছে এক ধরনের নিস্তব্ধতা। তবে শেষ সময়েও রাজধানীর মিরপুরের বেশিরভাগ মার্কেটে ক্রেতার খরা। হাজী কুজরত আলী সুপার মার্কেট, হারুন মোল্লা মার্কেট, সাফুরা ট্রেড সিটি, সুজাত ম্যানশন, নুর ইসলাম মোল্লাহ অ্যাভিনিউ মার্কেটের বেশিরভাগ দোকান খোলা থাকলেও নেই তেমন বেচাকেনা। মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় এসব মার্কেটের বিক্রেতা ও ফ্যাশন আউটলেটের বিক্রয় কর্মীরা জানান, বেঁচাকেনা একেবারেই নেই। মার্কেটগুলোর বিক্রয় কাউন্টারে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল না, অলস সময় পার করতে দেখা গেছে বিক্রয়কর্মীদের।    কুজরত আলী মার্কেটে কসমেটিকস বিক্রি করেন শাহিনা ইসলাম। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ঈদে প্রত্যাশিত বেচাকেনা হয়নি। ঈদ ছাড়া প্রাত্যহিক যেমন বেঁচাকেনা হয় তেমনই হচ্ছে। ক্রেতা দোকানে আসছে না, পণ্যও দেখছে না। এবারের মতো পরিস্থিতি আগে হয়নি। কিউরাস ব্র‍্যান্ডের একজন বিক্রয়কর্মী জানান, বিভিন্ন পণ্যের ওপর মূল্যছাড় চলছে, তবুও ক্রেতা আশানুরূপ নেই। আরও পড়ুনঈদে পোশাক বিক্রিতে ভাটা, মূল্যছাড় দিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা পিকআপে গরু নিয়ে ফিরছেন ক্রেতা, এখন আর কেউ জানতে চায় না ‘দাম কত’  বিক্রেতারা জানান, লম্বা ছুটি, মূল্যস্ফীতিসহ নানান কারণে এবার বেচাকেনা নেই। এছাড়া কোরবানির ঈদ হওয়ায় মানুষ কোরবানির পশুর পেছনে টাকা খরচ করছে।   হারুন মোল্লা মার্কেটে কথা হয় পোশাক বিক্রেতা শামসুদ্দিনের সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, কোরবানির ঈদে বেচাকেনা কম হওয়া স্বাভাবিক; তবে এবার অন্য সময়ের তুলনায়ও বিক্রি কম। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, লম্বা ছুটিতে মানুষ অনেক আগেই ঢাকা ছেড়েছে। গার্মেন্টসসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে বোনাস হয়েছে, তবে মাস শেষ না হওয়ায় বেতন হয়নি। আর জিনিসপত্রের অনেক দাম। সবকিছু মিলিয়ে এবার বিক্রি খারাপ। নুর ইসলাম মোল্লাহ অ্যাভিনিউয়ের ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, মানুষ গরু কেনায় খরচ করছে। এছাড়া আনুষঙ্গিক জিনিস আছে সেখানে টাকা-পয়সা খরচ করছে। পোশাক বা সৌখিন কেনাকাটায় টাকা খরচ করছে কম।  মিরপুর ১২ নম্বর আর্টিসানের শোরুমে জামা-কাপড় দেখছিলেন মিনহাজ-শিউলি দম্পতি। জাগো নিউজকে শিউলি বলেন, ঈদের কেনাকাটা নয়, বাসায় পরার জন্য কিছু জামা-কাপড় কিনতে এসেছি। এসএম/কেএসআর

Go to News Site