Somoy TV
ঢাকাই সিনেমায় অশ্লীলতার বিরুদ্ধে প্রথম অবস্থান নিয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা বাপ্পারাজ। সম্প্রতি সময় সংবাদকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।সাক্ষাৎকারে বাপ্পারাজ জানান, ১৯৯৮ সালের দিকেই চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। এমনকি একটি সিনেমার শুটিং মাঝপথে ছেড়েও চলে আসেন, যা নিয়ে পরে এফডিসিতে বিচার পর্যন্ত হয়েছিল। বাপ্পারাজ বলেন,ওই সময় যদি আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন তারকা যুক্ত হতেন, তাহলে শুরুতেই অশ্লীলতা বন্ধ হয়ে যেত। কিন্তু তখন অনেকেই বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয়নি। তিনি জানান, নির্মাতা রায়হান মুজিবের একটি সিনেমায় কাজ করার সময় একটি গানের দৃশ্যে অশ্লীল উপস্থাপন ছিল। তবে সেই গানে তিনি নায়িকার সঙ্গে কোনো ঘনিষ্ঠ শট দেননি। বাপ্পারাজের ভাষায়, নায়িকা এক জায়গায় ছিল, আমি দূরে থেকে গানটির শুটিং শেষ করি। কারণ আমি ওই ধরনের দৃশ্যে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করিনি। অভিনেতার দাবি, পরবর্তীতে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠলেও ততদিনে সেটি চলচ্চিত্রে ‘ভাইরাসের’ মতো ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসে দেশের চলচ্চিত্র শিল্প। এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন,শেষ পর্যন্ত আন্দোলন হয়েছে, অশ্লীলতাও চলে গেছে। কিন্তু শুরুতেই যদি সবাই একসঙ্গে দাঁড়াতো, তাহলে ইস্যুটি কখনই এতো দূর গড়াতো না। আরও পড়ুন: শাকিব যা পেয়েছে, ডিজার্ভ করেই পেয়েছে: বাপ্পারাজ ১৯৮৬ সালে বাবা নায়ক রাজ রাজ্জাকের পরিচালনায় ‘চাঁপাডাঙার বউ’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে ঢালিউডে পা রাখেন বাপ্পারাজ। ক্যারিয়ারে বেশি ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে অভিনয় করায় দর্শকমহলে ‘ব্যর্থ প্রেমিক’ হিসেবে তুমুল জনপ্রিয় হন। আরও পড়ুন: নিউইয়র্কের মেয়রের সঙ্গে অভিনয়ে জায়েদ খান সিনেমায় বেশিরভাগ চরিত্রে তিনি অন্যের জন্য আত্মত্যাগ করেন এমন চরিত্রে বেশি অভিনয় করেছেন। এ কারণে ‘ট্যাজেডি হিরো’ হিসেবেও খ্যাতি রয়েছে বাপ্পারাজের। গুণী এ অভিনেতার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘গরিবের ওস্তাদ’, ‘গরিবের সংসার’, ‘ডাকাত’, ‘আজকের সন্ত্রাস’, ‘প্রেমের সমাধি’, ‘পাগলীর’ প্রেম ইত্যাদি।
Go to News Site