Collector
মেয়াদ বাড়লেও আলোরমুখ দেখেনি মহাসড়কের লোড কন্ট্রোল প্রকল্প! | Collector
মেয়াদ বাড়লেও আলোরমুখ দেখেনি মহাসড়কের লোড কন্ট্রোল প্রকল্প!
Somoy TV

মেয়াদ বাড়লেও আলোরমুখ দেখেনি মহাসড়কের লোড কন্ট্রোল প্রকল্প!

পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়ক। সড়কটি দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভূটান থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা হয় পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য। একই সঙ্গে উপজেলার পাথর ব্যবসায়ীরা সেই পাথর বিভিন্ন ট্রাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠান। একই সঙ্গে যাত্রীপরিবহন ও বিভিন্ন মালামাল যাতায়াত করে।এদিকে মহাসড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে এবং ওভারলোডিং নিয়ন্ত্রণে পঞ্চগড়ে ৫ বছর আগে শুরু হয়েছিল এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ। কিন্তু মেয়াদের পর মেয়াদ বাড়লেও আজও আলোর মুখ দেখেনি প্রায় ১৭ কোটি টাকার প্রকল্পটি। এতে কোটি টাকার অবকাঠামো এখন পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে এলাকায়।সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, মহাসড়ক রক্ষায় অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া-ঢাকা মহাসড়কের পাশে ওভারলোডিং নিয়ন্ত্রণে তৈরি করা হচ্ছে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। লক্ষ্য ছিল আধুনিক ওজন মাপার যন্ত্র স্থাপনের মাধ্যমে সড়কের আয়ুষ্কাল ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা। কিন্তু গত ৫ বছরে প্রকল্পের সুফল পাওয়া তো দূরের কথা, কাজ শেষ না হওয়ার নামে উল্টো মুখ থুবড়ে পড়ে আছে সরকারের এই উন্নয়ন কাজ। ১৮৮ কোটি টাকার প্রকল্পে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য দেশের ৫টি এলাকায় কাজ শুরু হয়।সরকারের উন্নয়ন বাজেটের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময় পঞ্চগড়ে প্রকল্পের কাজ শুরু করে স্পেকট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ১ বছরে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও- তা না হওয়ায়, ইতিমধ্যে প্রায় পাঁচ বছরের জন্য একবার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায়, বিশাল এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা অবকাঠামোগুলো এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে বিরাজ করছে এক ভৌতিক পরিবেশ। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ না করায় পড়ে আছে সরকারি এ সম্পদ। সুফল লাঘবে দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি সবার।স্থানীয়রারা বলেন, অবকাঠামোর দ্রুত কাজ শুরুর কথা থাকলেও, তা আলোর মুখ দেখছে না।সাবেক শিক্ষক ও সচেতনমহলের আজহারুল ইসলাম জুয়েল সময় সংবাদকে বলেন, সরকারের কোটি টাকার প্রকল্প। এর সঠিক পর্যবেক্ষণ ও কাজের অগ্রগতি দ্রুত দেখা দরকার। অন্যথায় সনকারি টাকা অপচয় হবে।আরও পড়ুন: বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে ৭ দিনএদিকে প্রকল্পের কাজে থাকা শ্রমিকরা বলছেন এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ১০০ শতাংশ সম্পন্ন হলে কর্তৃপক্ষ বুঝে নিতে পারে কাজ।পঞ্চগড় সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ সরকার সময় সংবাদকে জানান, সরকারিভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে পুরো প্রকল্প। অবকাঠামোর সকল কাজ শেষ হলে এটি চালু করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সরঞ্জাম এবং জনবল প্রয়োজন হবে।জানা গেছে, অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের দশমাইল এলাকায় ৬ দশমিক ৬৯ একর জমির ওপর প্রায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

Go to News Site