Collector
কোরবানির বর্জ্য সরাতে ঢাকার দুই সিটির মহাপরিকল্পনা, প্রস্তুত ৩১ হাজার কর্মী | Collector
কোরবানির বর্জ্য সরাতে ঢাকার দুই সিটির মহাপরিকল্পনা, প্রস্তুত ৩১ হাজার কর্মী
Somoy TV

কোরবানির বর্জ্য সরাতে ঢাকার দুই সিটির মহাপরিকল্পনা, প্রস্তুত ৩১ হাজার কর্মী

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীকে দ্রুত কোরবানির বর্জ্যমুক্ত রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ঈদের দিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে ৫৪ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে চায় তারা। এ কাজে থাকবেন দুই সিটির স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ৩১ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী। নির্ধারিত সময়ে রাজধানীকে বর্জ্য মুক্ত করতে হলে একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে সরাতে হবে সোয়া এক টন করে বর্জ্য।রাজধানীতে কোরবানির ঈদ মানেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজার হাজার টন পশুর বর্জ্য। আর সেই বর্জ্য দ্রুত সরিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। উত্তর সিটিতে বর্জ্য অপসারণে মাঠে থাকবে প্রায় ১৬ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী। ধারণা করা হচ্ছে এবারও লক্ষ্য প্রায় ২১ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ। দ্রুত বর্জ্য সরাতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৭ শতাধিক যান-যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি ব্লিচিং পাউডার, স্যাভলন ও পলিব্যাগসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও বিতরণ করেছে সংস্থাটি। অন্যদিকে, ঈদের প্রথম দিনে প্রায় ৩৪ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়েছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন প্রায় ১৪ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী। বর্জ্য দ্রুত সরাতে দুই হাজারের বেশি যান-যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে। দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে রাখা হয়েছে ব্লিচিং পাউডার, স্যাভলন ও বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগের ব্যবস্থাও। আরও পড়ুন: কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঈদের দিন দুই সিটিতে ৮ ঘণ্টায় প্রায় ৩৪ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করতে চায় অন্তত ৩১ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী। সেই হিসেবে একজন কর্মীকে ৮ ঘণ্টায় সরাতে হবে সোয়া ১ টন করে বর্জ্য। দুই সিটির প্রশাসক বলছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পুরো নগরী পরিষ্কার করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ১০টি জোনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ১০টি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ৭২ ঘণ্টার অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নে আউটসোর্সিং কর্মীও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, মোট কোরবানির প্রায় ৬০ শতাংশ প্রথম দিনেই সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় দিনে হয় প্রায় ৩০ শতাংশ এবং শেষ দিনে বাকি ১০ শতাংশ। এই হিসাব ধরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। কোনোভাবেই যেন কোরবানির বর্জ্য ড্রেনে ফেলা না হয়, সে বিষয়েও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিগত বছরের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তবে দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও নগরী পরিচ্ছন্ন রাখতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি সচেতন হতে হবে নগরবাসীকেও।

Go to News Site