Somoy TV
রাত পোহালেই ঈদুল আজহা। লঞ্চ, বাস ও ট্রেনে রাজধানী ছাড়ছে নগরবাসী। যাত্রী চাপ কম থাকলেও ঈদযাত্রায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখী মানুষ। লঞ্চ আর ট্রেনের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। আর বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ সড়ক পথের যাত্রীদের। তবে, অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।গত দু'দিনের তুলনায় নৌপথে যাত্রীচাপ কম থাকলেও ভোগান্তি ছিলো সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষার পরও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত লঞ্চ। তাই পন্টুনগুলোতে বাড়ে ভোলা, মনপুরা ও হাতিয়াগামী যাত্রীদের উৎকণ্ঠা।যাত্রীরা বলেন, দুপুর ১টা থেকে অপেক্ষা করছি। এখনও লঞ্চ আসার কোনো খবর নেই। লঞ্চ আসছে বলে অপেক্ষা করানো মিথ্যাচার হলো না?বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানিয়েছে, গতকাল যাত্রী চাপ বেশি হওয়ায় স্পেশাল সার্ভিস দিয়ে ফিরতে গিয়ে কিছু লঞ্চ বিলম্ব করছে। দেরি হলেও সব গন্তব্যের লঞ্চ ছাড়বে বলে আশ্বাস তাদের।বিআইডব্লিউটিএ’র এক কর্মকর্তা বলেন, হাতিয়া-বেতুয়ায় স্পেশাল লঞ্চ ছাড়া অন্য লঞ্চ যেতে পারে না। হাতিয়া থেকে আসতে যতটুকু সময় লেগেছে ততটুকু দেরি হয়েছে।এদিকে, ঈদযাত্রার শেষ দিন উত্তরবঙ্গের প্রতিটি ট্রেনেই ছিলো উপচে ভিড়। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও ট্রেনের ছাদে বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন অসংখ্য যাত্রী।আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল যুবকেরট্রেনের দরজায় ঝুলে যাওয়া যাত্রীরা বলেন, যত কষ্ট হবে যেতেই হবে। পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করতে হবে। এ সময় দেখা যায় ট্রেনের টিকিট কাটা সত্ত্বেও ট্রেনে উঠতে পারেননি। ট্রেনগুলো ছেড়ে যায় দুই-আড়াই ঘণ্টা দেরিতে। এতে প্ল্যাটফর্মে চাপ বাড়ে যাত্রীর। ট্রেনগুলো প্ল্যাটফর্ম আসা মাত্রই হুমড়ি খেয়ে পড়েন যাত্রীরা।ট্রেনের এক যাত্রী বলেন, তিনঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি। কখন ট্রেন আসবে এ ব্যাপারে আমরা কিছুই বলতে পারছি না।এছাড়া, বাস টার্মিনালগুলোতেও যাত্রীর চাপ ছিলো সকাল থেকেই। আগে থেকে টিকিট না কাটায় ভোগান্তিতে পড়েন অনেকে।কোনো অনিয়ম হলেই ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের। তিনি বলেন, টিকিট কাউন্টারে বসে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি চেয়েছে কিংবা নিয়েছে এ রকম আমি এখনও পাইনি। যেকোনো জায়গায় যেকোনো যাত্রী অভিযোগ করলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব।বৃষ্টির ভোগান্তি মাথায় নিয়ে যাত্রার পরও মহাসড়কে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের। গাড়ির অতিরিক্ত চাপে বিভিন্ন জায়গায় সড়কে দেখা গেছে ধীরগতি।
Go to News Site