Collector
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদের জামাত | Collector
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদের জামাত
Jagonews24

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদের জামাত

ঈদুল আজহার সকালে রাজধানী ঢাকাজুড়ে শুরু হয়েছে ঈদের জামাত। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন মসজিদ, ঈদগাহ ও খোলা মাঠে মুসল্লিদের ঢল নামে। বৃষ্টির কিছুটা শঙ্কা থাকলেও ধর্মপ্রাণ মানুষদের উপস্থিতিতে ঈদের আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে রাজধানী।   বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর রামপুরা ও খিলগাঁওয়ের বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত শুরু হয়। জামাত শুরু হওয়ার আগেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নতুন পোশাকে মুসল্লিরা মসজিদমুখী হন। ছোট শিশুদের কোলাহল, তাকবির ধ্বনি আর শুভেচ্ছা বিনিময়ে তৈরি হয়েছে এক অন্যরকম উৎসবের আবহ।   রামপুরা এলাকায় সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে সালামবাগ জামে মসজিদে। সকাল সাড়ে ৬টা থেকেই মসজিদের সামনে মুসল্লিদের ভিড় বাড়তে থাকে। নির্ধারিত সময় সকাল ৭টায় জামাত শুরু হয়। মসজিদের ভেতরে জায়গা না হওয়ায় অনেক মুসল্লিকে বাইরে সড়ক ও আশপাশের খোলা স্থানে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।   জামাত শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়।   রামপুরার বাসিন্দা মো. ফেরদৌস বলেন, প্রতি বছর এই মসজিদে ঈদের নামাজ পড়ি। এলাকায় এত বড় জামাত আর কোথাও হয় না। সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে।   রামপুরার আর এক বাসিন্দা মো. আপন বলেন, আল্লাহর রহমতে ভালোভাবে ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরেছি। এখন কোরবানি দেওয়ার পালা। কোরবানির সব কার্যক্রম ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারলে মনে শান্তি পাবো।   নামাজ শেষে মুসল্লিদের একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করতে দেখা যায়। অনেকে আবার মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে ছবিও তোলেন ।   ঈদের জামাতে অংশ নিতে শিশুদের মধ্যেও ছিল ব্যাপক উৎসাহ। অনেককে বাবার হাত ধরে নতুন পাঞ্জাবি পরে মসজিদে আসে। নামাজ শেষে শিশুরা আনন্দে মেতে ওঠে।   বাবার সঙ্গে এসে ঈদের নামাজ আদায় করা ৮ বছরের শিশু রাইয়্যান বলেন, আমরা প্রতিবছর গ্রামের বাড়িতে ঈদ করি। এবার গ্রামে যাওয়া হয়নি। ঢাকায় ঈদ করতে খুব একটা ভালো লাগছে না। তারপরও বাবার সঙ্গে এসে ঈদের নামাজ আদায় করেছি।   আর এক শিশু রিহানা বলেন, আব্বু সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়েছি। খুব ভালো লাগছে। আমরা কোরবানির জন্য ছাগল কিনেছি। বাসার সামনে ছাগল কোরবানি দেবো। আজ অনেক মজা হবে। স্কুলের বন্ধুদের বাসায় দাওয়াত দিয়েছি।   এমএএস/এমকেআর

Go to News Site