Collector
গোর-এ শহীদ ময়দানে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত | Collector
গোর-এ শহীদ ময়দানে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত
Jagonews24

গোর-এ শহীদ ময়দানে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানে ঈদুল আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লক্ষাধিক মুসিল্লির অংশগ্রহণে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন বিভিন্ন জায়গার থেকে আসা কয়েকজন মুসুল্লি। নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুষ্ঠু ও শান্তি পূর্ণভাবে বৃহৎ এই জামাতে নামাজ আদায় করতে পেরে খুমি দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মুসল্লিরা। তবে গত কয়েকদিন ধরে চলা ঝড় বৃষ্টির কারণে পাড়া মহল্লার মাঠ ও মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার মুসুল্লির সংখ্যা কিছুটা কম। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ঈদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দান ও ঈদগাহ মিনার। ২১.৯৯ একর আয়তন বিশিষ্ট এই ঈদগাহে ১৯৪৭ সাল থেকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলেও আধুনিক নির্মাণশৈলীতে এই ঈদগাহে বৃহৎ পরিসরে ঈদের জামাত শুরু হয় ২০১৭ সাল থেকে। সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৬ টা থেকেই মুসল্লিরা সমবেত হতে শুরু করেন এই ঈদগাহে। ঠিক সাড়ে ৮টায় শুরু হয় নামাজ। এতে ইমামতি করেন দিনাজপুরের বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী। নামাজ শেষে ফিলিস্তিনি ইরানসহ দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহ এবং ৭১ ও ২৪ এ শহীদ ও আহতদের জন্য শান্তি কামনা করে করা হয় মোনাজাত। বৃহৎ এই জামাতে অংশ নেন দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড, মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা ও সর্বস্তরের জনতা। এসময় জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড, মোফাজ্জল হোসেন দুলাল উপস্তিত মুসুল্লিদের শুভেচ্ছা জানান। তারা বলেন, লাখো মুসুল্লির অংশ গ্রহণে দেশের এই বৃহৎ ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সফলভাবে ঈদুল আজহার জামাত সম্পন্ন হওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। এদিকে বৃহৎ এই জামাতে অংশ নিতে পেরে খুশি মুসল্লিরা। তারা জানান, ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮ টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে দুরদুরান্তের মুসুল্লিরা এসে অংশ গ্রহণ করতে পেরেছেন। এখানে নামাজ আদায় করতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেন তারা। এমদাদুল হক মিলন/এনএইচআর/এমএস

Go to News Site