Collector
মামা-ভাগনের জাদু, দেড় ঘণ্টায় কোরবানির দুই গরু কাটা শেষ! | Collector
মামা-ভাগনের জাদু, দেড় ঘণ্টায় কোরবানির দুই গরু কাটা শেষ!
Jagonews24

মামা-ভাগনের জাদু, দেড় ঘণ্টায় কোরবানির দুই গরু কাটা শেষ!

রাজধানীর আজিমপুর নতুন পল্টন লাইনে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটায় চমক দেখালেন কামরাঙ্গীরচরের কসাই কাঞ্চন, তার মামা গনি মিয়া এবং তাদের দল। মাত্র দেড় ঘণ্টায় বড় দুটি গরু কেটে শেষ করেছেন তারা। আশপাশের সবাই তাদের কাজ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অন্যদিকে, একই জায়গায় আরও কয়েকজন কসাই দেড় ঘণ্টায় একটি গরুর অর্ধেকও কাটা শেষ করতে পারেননি। প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে কাঞ্চন মিয়া জানান, তারা জাত কসাই। কামরাঙ্গীরচরে তাদের দোকান রয়েছে। কীভাবে দ্রুত গরু কাটা যায়, তা তারা ভালো করেই রপ্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‌‘ওরা অইলো মৌসুমি কছাই (কসাই), গরু কাইট্টার অভ্যাস নাইক্কা, ওরা কি আমগো মতন পারবো নিকি’ পাড়া-মহল্লায় চলছে কোরবানির মাংস কাটাকাটি একটা সময় ছিল যখন গরু জবাই করে মাংস কাটতে কাটতে দুপুর গড়িয়ে যেত। আত্মীয়স্বজন ও গরিব-দুঃখীদের মধ্যে মাংস বিলিবণ্টন শেষে বাসায় রান্না হতে হতে বিকেল হয়ে যেত। কিন্তু কালের পরিক্রমায় বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যেই মাংস কাটা শেষ হয়ে যায়। বিলিবণ্টন শেষে কোনো কোনো বাসায় তো চুলায় মাংস চড়ানোও হয়ে যায় সকালে। বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পেশাদার ও অপেশাদার (মৌসুমি) কসাই-এই দুই ধরনের কসাইয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকার চুক্তিতে কোরবানির পশু কাটার কাজ চলছে। জানা গেছে, একটি গরু কাটার জন্য জাত কসাইরা প্রতি হাজারে ১৫০ টাকা করে নিয়ে থাকেন। অন্যদিকে, মৌসুমি কসাইরা দরদাম করে প্রতি হাজারে ৮০ থেকে ১০০ টাকা নেন। কয়েকজন মৌসুমি কসাইয়ের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, তারা ৩-৪ জন মিলে একটি গরুর চুক্তি নেন। তাদের মধ্যে মূলত একজন অভিজ্ঞ (জাত কসাই না হলেও) ব্যক্তি থাকেন। তিনি অন্যদের কাজ বুঝিয়ে দিয়ে মাংস কাটানোর কাজটি তদারকি করেন। আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা সিরাজউদ্দিন বলেন, ‘১ লাখ ৮০ হাজার টাকার গরু ১৫ হাজার টাকার চুক্তিতে দিয়েছিলাম। কিন্তু তাদের কাজ পছন্দ হয়নি।’ সিরাজউদ্দিনের মতো এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়ে থাকে। এমইউ/এসএনআর

Go to News Site