Somoy TV
বাংলাদেশের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। অস্ট্রেলিয়ার বহু স্থানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। এছাড়া পর্তুগাল, কানাডাসহ নানা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ। ঈদের জামাতে অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আর বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও ফিলিস্তিনিসহ নির্যাতিত মানুষের মুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করেন মুসল্লিরা।ইউরোপে পবিত্র ঈদুল আজহার সবচেয়ে বড় জামায়াত হয় পর্তুগালের লিসবনে। বাংলাদেশিদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঈদের জামাতে অংশ নেন কয়েক হাজার মুসল্লি। জার্মানির রাজধানী বার্লিনসহ বিভিন্ন স্থানে প্রবাসী অধ্যুষিত ও তার্কিশ মসজিদগুলোতে দু’টি করে ঈদের জামাত হয়। ইতালির রাজধানী রোমসহ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ৫০টিরও বেশি স্থানে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আয়ারল্যান্ডেও আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ঈদের জামাতে অংশ নেন অনেকে। ফ্রান্সের প্যারিসে প্রধান মসজিদের পাশাপাশি বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় একাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ফিনল্যান্ডে রাজধানী হেলসিঙ্কিতে বাংলাদেশ কমিউনিটির আয়োজনে তিনটি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উদযাপিত হয়েছে ঈদুল আজহার জামাত। সবচেয়ে বড় জামাত হয়েছে এস্পো মুসলিম সেন্টারের আয়োজনে। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। বাংলাদেশের সঙ্গে একইদিনে ঈদ হওয়ায় আনন্দের মাত্রা বেড়েছে বহুগুণ। বাংলাদেশি মুসলিমদের আয়োজনে ঈদের জামাতে হাজার হাজার প্রবাসী অংশগ্রহণ করেন। বৃষ্টির সম্ভবনা থাকায় এবার বিভিন্ন ইনডোর ও কমিউনিটি সেন্টারে ঈদের জামাত আয়োজিত হয়। আরও পড়ুন: মুসলিমদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন পুতিন দেশের মতো করেই খোলা মাঠে ঈদগাহের আদলে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছে কানাডার টরেন্টোর বাংলাদেশি কমিউনিটি। শহরের বাংলা টাউন হিসেবে পরিচিত ডেনফোর্থ এলাকায় ডেন্টোনিয়া পার্কে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় ঈদের জামাত। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি, দুবাই ও শারজাহসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও মসজিদগুলোতে ছিল মুসল্লিদের ভিড়। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের প্রবাসীরাও ঈদের জামাতে অংশ নেন। এদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাজুড়েও উদযাপিত হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। জেরুজালেম, সিরিয়া, মিশর, লিবিয়া ও ইরাকের মসজিদগুলোতে ভিড় করেন লাখো মুসল্লি। ফিলিস্তিনের আল-আকসা থেকে শুরু করে ইরাকের কারবালা, সবখানেই ঈদের জামাতে ধ্বনিত হয় শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুক্তির আকুতি। চিরচেনা এই আনন্দের আবহেও যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিন ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত সিরিয়ার সাধারণ মানুষের কণ্ঠে ফুটে উঠেছে বুকফাটা হাহাকার আর মুক্তির প্রার্থনা। পবিত্র ঈদুল আজহার বরকতময় সকালে ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদে ঢল নামে হাজারো মুসল্লির। অবরুদ্ধ জেরুজালেমে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন ফিলিস্তিনিরা। তবে উৎসবের এই দিনেও তাদের মন জুড়ে রয়েছে গাজা ও পশ্চিম তীরের অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা।
Go to News Site