Somoy TV
ঝড়ো হাওয়ায় গত বুধবার (২৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক সংলগ্ন ব্যাঙছড়ি এলাকায় একটি গাছ বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর পড়ে খুঁটি ভেঙে যায়। এতে প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর ভেঙে যাওয়া খুঁটি পুনঃস্থাপন করে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, ভেঙে যাওয়া খুঁটি পুনঃস্থাপন এবং নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে প্রায় ২৩ ঘণ্টা সময় লেগেছে। ফলে ২৭ মে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১০টা ১২ মিনিট পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার বড়ইছড়ি, শিলছড়ি, নোয়াপাড়া, মিতিঙাছড়ি, উপজেলা সদর, ব্যাঙছড়ি ও রেশম বাগানসহ অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎবিহীন ছিল। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের হার অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ঈদের নামাজ, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হয়েছে। আরও পড়ুন: ঈদে কোথাও লোডশেডিংয়ের সুযোগ নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। অনেকেই অভিযোগ করেন, সামান্য ঝড়ে একটি গাছ খুঁটির ওপর পড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলেও দ্রুত সমাধান দিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের কর্মদক্ষ জনবলের ঘাটতির কারণেই সমস্যা সমাধানে দীর্ঘ সময় লেগেছে বলেও অভিযোগ তোলেন তারা। স্থানীয়দের আরও জানান, চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতা অব্যাহত থাকলে আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হতে পারে। এ বিষয়ে চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী তৌফিক আহমেদ সময় সংবাদকে জানান, টানা ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।
Go to News Site