Somoy TV
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন।বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন। এসময় তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই নগরীর ৩৩টিওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানীর বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত রয়েছে সিটি কর্পোরেশনের ১০৬৯ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী। বর্জ্য অপসারণে ১২ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হলেও ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কাজ শেষ করা হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়াও নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে পশুর বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। এর আগে সরকারিভাবে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা হলেও, মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণসহ পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন।সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন বলেন, স্থানীয় সরকার কর্তৃক বর্জ্য অপসারণে ১২ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে তবে আমরা ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কাজ শেষ করতে চাই। এ লক্ষে রসিকের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিভাগ ১০৬৯ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী তিনটি জোনে বিভক্ত হয়ে বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কাজ করছেন। এতে ট্রলি, রিকশাভ্যান ও ট্রাক ব্যবহার করা হচ্ছে।আরও পড়ুন: কোরবানির পর ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা রসিকেরএর আগে যত্রতত্র পশু জবাই রোধে এবারে রংপুর সিটি করপোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ৬৬টি স্থানে এবার কোরবানির পশু জবাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী রসিকের নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির জন্য পানির সরবরাহ, সেবাপ্রাপ্তির সুব্যবস্থা, কোরবানির জন্য ইমাম ও মুয়াজ্জিন এবং মসজিদ-মাদরাসার হুজুরদের পাশাপাশি গোশত কাটাকাটির জন্য কসাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও কোরবানির পর বর্জ্যের দুর্গন্ধ রোধে ব্লিচিং পাউডারের ব্যবস্থা করা হয়।রংপুর সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিটির বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা।
Go to News Site