Collector
ব্যক্তিগত উদ্যোগে চবিতে ঈদ প্রীতিভোজ, প্রশংসায় ভাসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী | Collector
ব্যক্তিগত উদ্যোগে চবিতে ঈদ প্রীতিভোজ, প্রশংসায় ভাসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী
Somoy TV

ব্যক্তিগত উদ্যোগে চবিতে ঈদ প্রীতিভোজ, প্রশংসায় ভাসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ঈদুল আজহার দিনে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রীতিভোজ আয়োজনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশংসা হচ্ছে। এ আয়োজনের আয়োজক হাসিবুল কবির মাহিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী।বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে শাহজালাল হল ডাইনিংয়ে এ আয়োজন করা হয়। জান গেছে, প্রথম বর্ষ উত্তীর্ণ হবার পর পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর সেখান থেকেই হাসিবুল কবির মাহিন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার এই আয়োজন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে পরিচালিত হয় এবং ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়। মাহিন তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ঈদের আনন্দ পরিবার থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতেই এই প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। প্রতিবছর ঈদে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জমকালো আয়োজন থাকলেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। সেই জায়গা থেকেই অন্তত ঈদের দিনের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার জন্য এই উদ্যোগ। আরও পড়ুন: রাজধানীর মোড়ে মোড়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস ঈদের দিন দুপুরের খাবার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থই হয়েছে। ঘর-বাড়ি ছাড়া এ শিক্ষার্থীগুলো নানা প্রতিবন্ধকতার কারণেই ক্যাম্পাসে থাকে; অথচ তাদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ এখন নিত্যদিনের। ক্যাম্পাসের কিছু বন্ধু আর সিনিয়র-জুনিয়ররা মিলে যদি এরকম আয়োজন করতে পারে; তাহলে প্রশাসন কেন পারছে না? তা সবার মনেই প্রশ্ন জাগাবে।’ আয়োজক মাহিন জানান, প্রায় ৪৫০ জনের জন্য আয়োজন করা হলেও প্রায় ৪৩০ জন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন। দুইটি ছাগল ও একটি গরু কোরবানির অংশ ব্যবহার করে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এর মধ্যে ১৫৫ জনের বেশি অমুসলিম শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেন এবং ৯৮ জন নারী শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়, যেখানে তাদের খাবার বক্স আকারে পৌঁছে দেয়া হয়। আয়োজনে সহযোগিতা করেন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন শিক্ষার্থী ও সংগঠকরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে তিনি বন্ধু ও সহপাঠীদের পাশাপাশি বিভিন্ন হল সংসদের নেতাদের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন। প্রশাসনিক সহযোগিতার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকেও ধন্যবাদ জানান মাহিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক শিক্ষার্থী এই ব্যক্তিগত উদ্যোগকে প্রশংসা করে পোস্ট দেন, বিশেষ করে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার সমালোচনার প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ আয়োজনকে একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Go to News Site