Collector
নতুন সমঝোতায় রাজি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প | Collector
নতুন সমঝোতায় রাজি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প
Somoy TV

নতুন সমঝোতায় রাজি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প

চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। খবর সিএনএনের।এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, কোনো ভাবেই ইরানিদের দুর্বল করতে পারবে না ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। এর মধ্যে ইরানের হরমুজ প্রণালী পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামাতে পর্দার আড়ালে চলছে তীব্র কূটনৈতিক তৎপরতা। দুই পক্ষই ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়াতে একটি খসড়া সমঝোতা স্মারকে সম্মত হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস সূত্র নিশ্চিত করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী, ৬০ দিনের এই সমঝোতা স্মারকের মধ্যে রয়েছে-হরমুজ প্রণালি দিয়ে টোল আদায় ছাড়াই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ তুলে নেয়া। ইরানের পানমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার। সংলাপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের ১২ বিলিয়ন ডলারের জব্দ করা অর্থ ফেরত দেয়ার বিষয়ে আলোচনা। আরও পড়ুন: বিবিসি’র প্রতিবেদন / যুদ্ধবিরতি বাড়ানো নিয়ে হয়নি সমঝোতা, তবে চুক্তির ‘কাছাকাছি’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ইরান যাতে পণ্য ও মানবিক সহায়তা পেতে পারে, সেজন্য একটি বিশেষ কার্যপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা। এছাড়া সমঝোতা স্মারকে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়টিও উল্লেখ থাকবে। তবে চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যায়ের কাছাকাছি থাকার এই সময়েও গত ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুটি সংঘর্ষের ঘটনার খবর এসেছে। ৬০ দিনের এই সমঝোতা স্মারকে যেসব বিষয় রয়েছে- # টোল ছাড়াই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল# যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ তুলে নেয়া# ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার# ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার# ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত দেয়া# ইরানে পণ্য ও মানবিক সহায়তার নিশ্চয়তা তবে এই শান্তি প্রস্তাবের আলোর মুখ দেখা এখনো পুরোপুরি নির্ভর করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর। ট্রাম্পের স্পষ্টবার্তা ইরানকে পরমাণু অস্ত্রের মোহ ছাড়তে হবে এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। যদিও ইরানের বন্দর আব্বাসে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর করে তুলেছে। আরও পড়ুন: বিশ্বের ১৩টি দেশের একটি ট্রাম্পের যুদ্ধের হুমকিতে! এর মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করে ক্ষেপনাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। এছাড়া হরমুজ প্রণালীতেও নৌযান লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে আইআরজিসি। পাশাপাশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে বুশেহরে আরও একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করেছে ইরান। যদিও তা অস্বীকার করেছে পেন্টাগন। এদিকে হরমুজ প্রণালীতে যদি কোনো ধরনের টোল ব্যবস্থা চালু বা সহায়তা করা হয়, তাহলে ওমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ওমানকে সতর্ক করে বলে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের টোল আরোপের প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোনোভাবেই সহ্য করবে না।

Go to News Site