Collector
সাভারে ট্যানারি স্থানান্তর ছিল ‘ক্লাসিক কেস অব মিসম্যানেজমেন্ট’ | Collector
সাভারে ট্যানারি স্থানান্তর ছিল ‘ক্লাসিক কেস অব মিসম্যানেজমেন্ট’
Jagonews24

সাভারে ট্যানারি স্থানান্তর ছিল ‘ক্লাসিক কেস অব মিসম্যানেজমেন্ট’

বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির বলেছেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীতে ট্যানারি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। তবে পুরো স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অব্যবস্থাপনা হয়েছে। যে কারণে শিল্পের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‌‘এই বিষয়ে আগেও আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছি। হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারিগুলো স্থানান্তরের সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল। কারণ ঠিকমতো বর্জ্য পরিশোধনাগরের ব্যবস্থা আছে। এরকম একটা জায়গায় উচ্চমাত্রার বর্জ্য তৈরি হয়। এরকম একটা শিল্প হওয়া উচিত এমন একটা জায়গায়, যেখানে ভালো এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের (ইটিপি) সুবিধা আছে। কিন্তু যেভাবে স্থানান্তর হয়েছে, সে ব্যবস্থাপনাটা ছিল একটা ‘ক্লাসিক কেস অব মিসম্যানেজমেন্ট’ (অব্যবস্থাপনার নিকৃষ্টতম উদাহরণ)।” তিনি আরও বলেন, ‘এখন যে জিনিসটার দিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি, একটা হলো এই বর্জ্য পরিশোধনাগারে যে প্রজেক্টেড ক্যাপাসিটি ছিল, ২৫ হাজার কিউবিক মিটার পার ডে, কী কী পরিবর্তন করলে সেই জায়গাতে আমরা ফেরত আসবো এবং ক্রোমিয়াম রিকভারির জন্য কী করা লাগে সেটা আমরা করবা।’ ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দুই নম্বর হচ্ছে স্থানান্তরের সময় হাজারীবাগ থেকে এখানে স্থানান্তরের সময়ে যে সব প্রতিষ্ঠান ঝরে গেছে এবং পরবর্তীতে অচল অথবা নিম্নমাত্রায় সচল থাকার কারণে বিপুল পরিমাণ দায়দেনার সম্মুখীন হয়েছে, লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে; সেগুলোকে কী উপায়ে আবার লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায়, সেটা করা।’ পরে মন্ত্রী শিল্পনগরীর বিভিন্ন ট্যানারি কারখানা পরিদর্শন করেন এবং মালিকদের সঙ্গে শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। এদিকে ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও সাভারের ট্যানারিগুলোতে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিল্পনগরীতে এসেছে পাঁচ লাখ ২ হাজার ৭৯৬টি কাঁচা চামড়া। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী কয়েক দিন চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কার্যক্রম আরও বাড়বে। চামড়া শিল্পনগরীর বিসিক কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাইয়ান জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট এক হাজার ৬১৬টি ট্রাকে করে শিল্পনগরীতে এসেছে পাঁচ লাখ ০২ হাজার ৭৯৬টি কাঁচা চামড়া। এর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া রয়েছে চার লাখ ৮৬ হাজার ৬৮৯টি এবং ছাগল-ভেড়ার চামড়া ১৬ হাজার ১০৭টি। মাহফুজুর রহমান নিপু/এসআর/এমএস

Go to News Site