Somoy TV
ঈদের ছুটির মধ্যে ডিএনসিসি হাসপাতালে বেড়েছে হামে আক্রান্ত রোগীর চাপ। যার অধিকাংশই ঢাকার বাইরে থেকে আসা। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ঈদের দ্বিতীয় দিনেও হামের জন্য বিশেষায়িত রাজধানীর মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালের করিডরে দেখা যায় রোগীর ভিড়। শুক্রবার (২৮ মে) ঈদের দিন সকাল থেকে এই ভিড় আরো বাড়তে থাকে।চিকিৎসকরা আশঙ্কা করেছিলেন, ঈদ মৌসুমে বাড়তে পারে হামের প্রকোপ। যাত্রাপথের জনসমাগমে সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা করেন তারা। যার প্রভাব এরইমধ্যে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালগুলোতে। হামে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে হাসপাতালেই ঈদ কাটাচ্ছেন বাবা-মায়েরা। বেশিরভাগ ঢাকার বাইরে থেকে আসা। হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, রিলিজ নেয়া রোগীর তুলনায় নতুন রোগী ভর্তির পরিমাণই বেশি। অনেকের পরিবার ও আত্মীয় স্বজন হামে আক্রান্ত ছিলেন, সেখান থেকে সংক্রমিত হয়েছে বলে মনে করছেন স্বজনরা। নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নন্দিতা সাহা জানান, ঈদে রোগীর চাপ বেড়েছে। ভাইরাসটি ছোঁয়াচে হওয়ায় ঈদের এই সময়ে আশংকাজনক হারে বাড়তে পারে হাম সংক্রমণ। আরও পড়ুন: হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১০ শিশুর তবে টিকার কার্যকারিতা শুরু হওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতায় সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৮ হাজার ৫৭৯ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৪৩ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৪ হাজার ৭৯৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৫১১ জন ছাড়পত্র পেয়ে এরইমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
Go to News Site