Collector
৬ ঘণ্টার মধ্যে বরিশাল সিটির বর্জ্য অপসারণ | Collector
৬ ঘণ্টার মধ্যে বরিশাল সিটির বর্জ্য অপসারণ
Somoy TV

৬ ঘণ্টার মধ্যে বরিশাল সিটির বর্জ্য অপসারণ

পবিত্র ঈদুল আজহায় সেই চিরচেনা অস্বস্তিকর চিত্র বদলে দিতে নজিরবিহীন উদ্যোগ দেখাল বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। ৬ ঘণ্টার মধ্যে পুরো নগরীর মধ্যে পুরো বর্জ্য অপসারণ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর ২টা বাজতেই পুরো নগরীজুড়ে শুরু হয় বিসিসির বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। রাত ৮টার মধ্যে মহানগরীকে সম্পূর্ণ বর্জ্যমুক্ত ও দুর্গন্ধহীন করা হয়। শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিসির বর্জ্য অপসারণের​ সার্বিক মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা সাকলাইন মোস্তাক। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সফল করতে পুরো বরিশাল নগরীকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট জোনে ভাগ করা হয়েছে। দুপুর থেকেই ৭ শতাধিক পরিচ্ছন্নকর্মী একযোগে কাজ শুরু করেন। বর্জ্য অপসারণে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জীবাণুমুক্তকরণের জন্য নামানো হয়েছে ভারি যন্ত্রপাতি ও বিপুল উপকরণ। নগরীর আনাচে-কানাচে বর্জ্য সংগ্রহে সরবরাহ করা হয়েছে ৫ হাজার বিশেষ ব্যাগ। আরও পড়ুন: বরিশালে হামে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল, উপসর্গে প্রাণ গেল আরও এক শিশুর দ্রুত বর্জ্য পরিবহনের জন্য কাজ করেছে ১০টি ডাম্প ট্রাক ও ৩টি হুইল লোডার। দুর্গন্ধ দূর করতে এবং জীবাণুনাশে ছিটানো হয়েছে ১ হাজার কেজি ব্লিচিং পাউডার। রক্ত ও ময়লা ধুয়ে ফেলতে সড়কগুলোতে কাজ করেছে পানিবাহী ৩টি বিশালাকার গাড়ি। ঈদের আনন্দকে নির্বিঘ্ন রাখতে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিটি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য কেবল বর্জ্য সরানো নয়, নগরবাসীকে একটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দেয়া। পরিচ্ছন্নতার পর সড়কে পশুর রক্তের সামান্য দাগও যেন দৃশ্যমান না থাকে, সেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।' দুপুরে নগরীর বগুড়া রোড এলাকার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় গিয়ে দেখা যায় এক উৎসবমুখর পরিচ্ছন্নতার দৃশ্য। কর্মীরা দ্রুততার সাথে বর্জ্য ট্রাকে তুলছেন, ঠিক তার পরপরই পানিবাহী গাড়ি এসে রাস্তা ধুয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিচ্ছে। আরও পড়ুন: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ঈদ যাত্রায় বিপত্তির কারণ থ্রি-হুইলার বগুড়া রোডের বাসিন্দা ইমরান খন্দকার রাফি বলেন, 'অন্যান্য বছর ঈদের পরদিনও রাস্তায় হাঁটলে দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসত। রক্ত আর ময়লা জমে থাকত। কিন্তু এবার কোরবানি শেষ হতে না হতেই যেভাবে গাড়ি এসে ময়লা নিয়ে যাচ্ছে আর রাস্তা ধুয়ে দিচ্ছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়। বিকেলের মধ্যেই চারপাশ পরিষ্কার হয়ে গেছে।' এদিকে বর্জ্য অপসারণের সার্বিক মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা সাকলাইন মোস্তাক জানান, 'প্রশাসকের নির্দেশনা মেনে প্রতিটি ওয়ার্ডের কাজের ওপর প্রতি মুহূর্তে নজরদারি রাখা হয়েছে। আমরা ৬ ঘণ্টার মধ্যে নগরীকে বর্জ্য ও দুর্গন্ধ মুক্ত করতে কাজ করেছি।

Go to News Site