Collector
ঈদের ছুটিতে টাঙ্গাইলের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় | Collector
ঈদের ছুটিতে টাঙ্গাইলের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড়
Jagonews24

ঈদের ছুটিতে টাঙ্গাইলের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন বিনোদন ও দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ভিড় দেখা গেছে। যমুনার মনোরম সৌন্দর্য, সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য ও যমুনা সেতু দেখতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা। একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রগুলোও ছিল দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর। ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৯ মে) পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যমুনা সেতু ও যমুনা পাড়ে ঘুরতে আসেন দর্শনার্থীরা। এছাড়া জেলার মহেড়া জমিদার বাড়ি, টাঙ্গাইল ডিসি লেক ও এসর্পি পার্ক, ২০১ গম্বুজ মসজিদ, রেলস্টেশনে মানুষ ভিড় করছেন। ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৯ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, রিবারের সদস্যদের নিয়ে যমুনা সেতু ও যমুনা পাড়ে ঘুরতে আসেন দর্শনার্থীরা। এছাড়া জেলার মহেড়া জমিদার বাড়ি, টাঙ্গাইল ডিসি লেক ও এসর্পি পার্ক, ২০১ গম্বুজ মসজিদ, রেলস্টেশনে মানুষ ভিড় করছেন। ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জাগো নিউজকে বলেন, পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়ানোর জন্য যমুনা নদীর পাড় খুবই সুন্দর। বিশেষ করে সূর্যাস্ত দেখতে অন্যরকম লাগে। সব মিলিয়ে আমাদের অনেক ভালো লাগছে। ঘুরতে আসা শিশুরা জাগো নিউজকে জানায়, বাবা মায়ের সঙ্গে ঘুরতে এসেছে তারা। ঘুরে খুব ভালো লাগছে। নৌকায় উঠে তাদের বেশি ভালো লেগেছে। শহরের এসপি পার্কের দর্শনার্থী ইকবাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঘুরতে এসেছি। বাচ্চাকে বিভিন্ন রাইডে উঠিয়েছে। একই সঙ্গে আমরাও উপভোগ করছি। ঈদের দিন বের হতে পারেনি। ঈদের দ্বিতীয় দিন বের হয়েছি। আরেক দর্শনার্থী মজনু মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের দিন কোরবানির জন্য বের হতে পারেনি। তাই আজকে বাবা মা ও স্ত্রী নিয়ে বের হয়েছি। শহরের বিভিন্নস্থানে ঘুরলাম। ঘুরে আমাদের খুব ভালো লেগেছে। তবে আগের তুলনায় লোকজন কম। কুটির মেলায় আসা দর্শনার্থী খাজিদা বলেন, স্বামী-সন্তান নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসেছে। মেলায় বাচ্চাদের বিভিন্ন রাইডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছেলেকে দুই তিনটি রাইডে উঠিয়েছি। পাশাপাশি আমরাও ম্যাজিক বোট উঠেছে। আমাদের খুব ভালো লেগেছে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। পুলিশ সার্বক্ষণিক বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি করছেন। আব্দুল্লাহ আল নোমান/এনএইচআর/জেআইএম

Go to News Site