Collector
মাদারীপুরে পশুর চামড়ার বর্জ্যে মারা গেল ১০ লাখ টাকার মাছ | Collector
মাদারীপুরে পশুর চামড়ার বর্জ্যে মারা গেল ১০ লাখ টাকার মাছ
Somoy TV

মাদারীপুরে পশুর চামড়ার বর্জ্যে মারা গেল ১০ লাখ টাকার মাছ

মাদারীপুরে একটি পুকুরে পশুর চামড়ার বর্জ্যে ১০ লাখ টাকার বেশি মাছ মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া, বর্জ্যের দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী।জানা যায়, রাজৈর উপজেলার স্লুইটগেট এলাকায় সরকারি পুকুর ভাড়া নিয়ে দুই বছর ধরে মাছ চাষ করে আসছেন মৎস্য চাষি নুর ইসলাম শেখ। গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) থেকে ক্রয় করা কোরবানির পশুর চামড়া এই পুকুরের পাশের একটি দোকানঘরে সংরক্ষণ করেন স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী হারুণ ফকির। পরে পুকুরে ফেলা হয় চামড় থেকে ছাটাই করা লবণাক্ত বর্জ্য। এতে পানি দূষিত হলে শনিবার (৩০ মে) সকালে একে একে ভেসে উঠতে শুরু করে পুকুরে থাকা রুই, কাতল, তেলাপিয়া, শিংসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। মারা যায় পুকুরে থাকায় প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ। আরও পড়ুন: বর্জ্য অপসারণ / দায়িত্বে অবহেলায় কিছু কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে: ডিএসসিসি প্রশাসক বিষয়টি জানতে পেরে ছুটে আসেন মৎস্য চাষি নুর ইসলাম শেখ। ক্ষতিপূরণসহ চামড়া ব্যবসায়ীর বিচার দাবি করেন তিনি। এদিকে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চামড়া ব্যবসায়ী। অন্যদিকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম। ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষি নুর ইসলাম বলেন, ‘আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। আমি ব্যাংক ঋণ নিয়ে মাছ চাষবাদ করেছি। এই ক্ষতি আমি কি করে কাটিয়ে উঠব। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’ আরও পড়ুন: মাদারীপুর পৌরসভা / মহাসড়কের পাশেই বর্জ্যের ভাগাড়, দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও যাত্রীরা অভিযুক্ত চামড়া ব্যবসায়ী হারুণ ফকির বলেন, ‘আমি যে ক্ষতি করেছি, মৎসচাষির চাওয়ার ভিক্তিতে তা পুষিয়ে দেব।’ মাদারীপুরের রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাছ মেরে ফেলা এটি ফৌজদারি অপরাধ। কোনো অবস্থাতেই অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না।’

Go to News Site