Somoy TV
নেত্রকোনা শহরের অদূরে শান্ত সুন্দর নিরিবিলি পরিবেশে কেউ চড়ছে ট্রেনে, কেউবা দোলনায় আবার অনেকে একসঙ্গে নাগর দোলায়। শিশুদের কোলাহলে মুখর হয়ে ওঠছে চারপাশ। ছোট ছোট পায়ের পদচারণায় মুখর কিড্ডি কিংডম পার্ক।জেলার সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের কাইলাটি গ্রামে কিড্ডি কিংডমে ঈদ উপলক্ষে শিশুদের নিয়ে ঘুরতে চলে যান অভিভাবকরা। ৫০ থেকে ১০০ টাকা ভাড়ায় রিকশা বা অটোতে করে শহর থেকে কম সময়েই যাওয়া আসা করা যায় সেখানে। বিভিন্ন উৎসবে অথবা ছুটির দিনে শিশুদেরকে আনন্দ দিতে নিয়ে যায় অভিভাবকরা। স্বল্প মূল্যে বিভিন্ন রাইডে চড়ে আনন্দ উপভোগ করে শিশুরা। আর এতে তৃপ্ত হন বাবা-মা বা অভিভাবকরা। জানা যায়, মাত্র ৩০ টাকায় ট্রেন ভ্রমণ করে বেশ উচ্ছ্বসিত হয় শিশুরা। নাগর দোলাতেও ওঠে মজা পায়। বেশি ছোট শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা নিজেরাই ওঠেন ট্রেনে অথবা নাগরদোলায়। এদিকে, গান পরিবেশন করেন মালিকরা। দুই ভাই শোয়েব তানভীর হিমেল ও হিল্লোল গান গেয়ে আনন্দ দেন সবাইকে। কিছুটা নামিদামি রেস্টুরেন্টে একদিকে গান, অন্যদিকে চলে খানাপিনা ও আড্ডা। আরও পড়ুন: ঈদের ছুটিতে ঢাকায় কোথায় ঘুরতে যাবেন, কোন বিনোদনকেন্দ্র কতক্ষণ খোলা সব মিলিয়ে জেলা থেকে মাত্র পাঁচ বা ছয় কিলোমিটার দূরেই এমন আনন্দঘন পরিবেশে শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন উৎসবকালীন ছুটিতে ভিড় জমান শহুরে মানুষ। আশপাশ এলাকা থেকেও চলে আসে শিশুরা। ঢাকা থেকে বাড়ি আসা মানুষরা একটু সময় কাটাতে চলে যান এই কিড্ডি কিংডম পার্কে। অনায়াসেই কয়েক ঘণ্টা অতিবাহিত করেন পরিবারসহ আপনজনদের সঙ্গে। পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, শখের বসে করা পার্কটি থেকে আয় না হলেও মানুষের বিনোদনের কথা ভেবেই তারা এটিকে সচল রাখছেন ভর্তুকি দিয়ে। তারপরও যেন মানুষ শিশুদের নিয়ে আসেন এবং শিশুদের মানসিক বিকাশ ঘটে-- এর জন্যই প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে তারা লাভ ছাড়াই ধরে রেখেছেন পার্কটি। আরও পড়ুন: ঈদের ছুটির আমেজে রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রে প্রাণচাঞ্চল্য শুধু বিভিন্ন রাইড রয়েছে পার্কে এমন নয়। বাঘ, সিংহ, হাতি, জিরাফ, হরিণ, বক, হাঁস, ব্যাঙ রয়েছে যেগুলো মাটির বা ভাস্কর্যের তৈরি। যাতে শিশুরা নামগুলো জানতে পারে, চিনতে পারে এসব প্রাণিদের। রয়েছে মাছের পুকুরে বোটের ব্যবস্থাও। মানুষও ডাইনোসর আকৃতির গেইট দিয়ে পার্কে ঢুকেই ছবি তুলে নেন সর্বপ্রথম। এরপর ঘুরে ঘুরে আনন্দ উপভোগ করেন।
Go to News Site