Collector
পুরাতন আইফোন কেনার আগে এই ভুলগুলো করবেন না | Collector Battery- তেই সাইকেল কাউন্ট দেখা যায়। পুরোনো মডেলের সাইকেল কাউন্ট দেখতে ল্যাপটপে 3uTools ব্যবহার করুন। ৪. আমেরিকা বা ইউরোপের অনেক আইফোন (বিশেষ করে আইফোন ১৪ ও পরবর্তী মডেলগুলো) শুধুমাত্র eSIM সমর্থিত, সেগুলোতে কোনো ফিজিক্যাল সিম স্লট থাকে না। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই ফোনগুলোর বডি ড্রিল (কেটে) করে ভেতরে সস্তা চাইনিজ সিম ট্রে বসিয়ে "ফিজিক্যাল সিম" বলে বিক্রি করছে, যা ফোনের মাদারবোর্ডের স্থায়ী ক্ষতি করে। পাশাপাশি এগুলো ক্যারিয়ার লকড (Carrier Locked) বা চোরাই ফোন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। করণীয়: Settings > General > About-এ গিয়ে Carrier Lock অপশনটি দেখুন। সেখানে অবশ্যই "No SIM restrictions" লেখা থাকতে হবে। যদি কোনো নির্দিষ্ট অপারেটরের নাম থাকে, তবে সেই ফোনে বাংলাদেশের সিম চলবে না। এছাড়া ফোনের মডেল নম্বরের প্রথম অক্ষরটি খেয়াল করুন— 'M' মানে রিটেল (নতুন কেনা), 'F' মানে অ্যাপল কর্তৃক রিফারবিশড (Refurbished), এবং 'N' মানে রিপ্লেসমেন্ট (Replacement) ডিভাইস। ৫. ফেস আইডি (Face ID) বা টাচ আইডি নষ্ট থাকলে সেই আইফোনের দাম ও কার্যকারিতা অর্ধেক হয়ে যায়। অনেক সময় মাদারবোর্ডের কাজের কারণে বা পানি ঢোকার ফলে ফেস আইডি চিরতরে ডেড হয়ে যায়। এছাড়া ফোন একবার খোলা হলে এর ভেতরের ওয়াটারপ্রুফ গাম বা সিল নষ্ট হয়ে যায়। করণীয়: ফেস আইডি নতুন করে সেটআপ করে পরীক্ষা করার পাশাপাশি ফোনের সিম ট্রে-টি খুলুন এবং স্লটের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভেতরে হালকা ফু দিয়ে বাতাস দেওয়ার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন বাতাস সহজেই ভেতরে চলে যাচ্ছে (কোনো বাধা পাচ্ছে না), তবে বুঝবেন ফোনটি আগে খোলা হয়েছিল এবং এর ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স সিলটি আর অক্ষত নেই। ওপরের সবগুলো বিষয় যদি আপনার কাছে ঠিকঠাক মনে হয়, তাহলে বিক্রেতার হাতে টাকা তুলে দেওয়ার ঠিক আগে নিচের দুটি শেষ ধাপ অবশ্যই সম্পন্ন করুন— ১. বিক্রেতার সামনেই ফোনটি Settings > General > Transfer or Reset iPhone থেকে Erase All Content and Settings দিয়ে সম্পূর্ণ ফ্যাক্টরি রিসেট দিন। এরপর আপনার নিজের সিম কার্ড ঢুকিয়ে এবং ওয়াই-ফাই কানেক্ট করে ফোনটি নতুন করে চালু (Activate) করুন। ফোনটি বাইপাস করা বা আইক্লাউড লক থাকলে এই ধাপে ধরা পড়ে যাবে। ২. ডায়াল প্যাডে *#06# চেপে IMEI নম্বরটি নিন। এটি অ্যাপলের অফিশিয়াল সাইটে (checkcoverage.apple.com) চেক করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কোনো ‘Blacklist Checker’ ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিন ফোনটি চুরি হওয়া, হারানো বা আন্তর্জাতিকভাবে ব্লকড কি না।"> Battery- তেই সাইকেল কাউন্ট দেখা যায়। পুরোনো মডেলের সাইকেল কাউন্ট দেখতে ল্যাপটপে 3uTools ব্যবহার করুন। ৪. আমেরিকা বা ইউরোপের অনেক আইফোন (বিশেষ করে আইফোন ১৪ ও পরবর্তী মডেলগুলো) শুধুমাত্র eSIM সমর্থিত, সেগুলোতে কোনো ফিজিক্যাল সিম স্লট থাকে না। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই ফোনগুলোর বডি ড্রিল (কেটে) করে ভেতরে সস্তা চাইনিজ সিম ট্রে বসিয়ে "ফিজিক্যাল সিম" বলে বিক্রি করছে, যা ফোনের মাদারবোর্ডের স্থায়ী ক্ষতি করে। পাশাপাশি এগুলো ক্যারিয়ার লকড (Carrier Locked) বা চোরাই ফোন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। করণীয়: Settings > General > About-এ গিয়ে Carrier Lock অপশনটি দেখুন। সেখানে অবশ্যই "No SIM restrictions" লেখা থাকতে হবে। যদি কোনো নির্দিষ্ট অপারেটরের নাম থাকে, তবে সেই ফোনে বাংলাদেশের সিম চলবে না। এছাড়া ফোনের মডেল নম্বরের প্রথম অক্ষরটি খেয়াল করুন— 'M' মানে রিটেল (নতুন কেনা), 'F' মানে অ্যাপল কর্তৃক রিফারবিশড (Refurbished), এবং 'N' মানে রিপ্লেসমেন্ট (Replacement) ডিভাইস। ৫. ফেস আইডি (Face ID) বা টাচ আইডি নষ্ট থাকলে সেই আইফোনের দাম ও কার্যকারিতা অর্ধেক হয়ে যায়। অনেক সময় মাদারবোর্ডের কাজের কারণে বা পানি ঢোকার ফলে ফেস আইডি চিরতরে ডেড হয়ে যায়। এছাড়া ফোন একবার খোলা হলে এর ভেতরের ওয়াটারপ্রুফ গাম বা সিল নষ্ট হয়ে যায়। করণীয়: ফেস আইডি নতুন করে সেটআপ করে পরীক্ষা করার পাশাপাশি ফোনের সিম ট্রে-টি খুলুন এবং স্লটের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভেতরে হালকা ফু দিয়ে বাতাস দেওয়ার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন বাতাস সহজেই ভেতরে চলে যাচ্ছে (কোনো বাধা পাচ্ছে না), তবে বুঝবেন ফোনটি আগে খোলা হয়েছিল এবং এর ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স সিলটি আর অক্ষত নেই। ওপরের সবগুলো বিষয় যদি আপনার কাছে ঠিকঠাক মনে হয়, তাহলে বিক্রেতার হাতে টাকা তুলে দেওয়ার ঠিক আগে নিচের দুটি শেষ ধাপ অবশ্যই সম্পন্ন করুন— ১. বিক্রেতার সামনেই ফোনটি Settings > General > Transfer or Reset iPhone থেকে Erase All Content and Settings দিয়ে সম্পূর্ণ ফ্যাক্টরি রিসেট দিন। এরপর আপনার নিজের সিম কার্ড ঢুকিয়ে এবং ওয়াই-ফাই কানেক্ট করে ফোনটি নতুন করে চালু (Activate) করুন। ফোনটি বাইপাস করা বা আইক্লাউড লক থাকলে এই ধাপে ধরা পড়ে যাবে। ২. ডায়াল প্যাডে *#06# চেপে IMEI নম্বরটি নিন। এটি অ্যাপলের অফিশিয়াল সাইটে (checkcoverage.apple.com) চেক করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কোনো ‘Blacklist Checker’ ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিন ফোনটি চুরি হওয়া, হারানো বা আন্তর্জাতিকভাবে ব্লকড কি না।"> Battery- তেই সাইকেল কাউন্ট দেখা যায়। পুরোনো মডেলের সাইকেল কাউন্ট দেখতে ল্যাপটপে 3uTools ব্যবহার করুন। ৪. আমেরিকা বা ইউরোপের অনেক আইফোন (বিশেষ করে আইফোন ১৪ ও পরবর্তী মডেলগুলো) শুধুমাত্র eSIM সমর্থিত, সেগুলোতে কোনো ফিজিক্যাল সিম স্লট থাকে না। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই ফোনগুলোর বডি ড্রিল (কেটে) করে ভেতরে সস্তা চাইনিজ সিম ট্রে বসিয়ে "ফিজিক্যাল সিম" বলে বিক্রি করছে, যা ফোনের মাদারবোর্ডের স্থায়ী ক্ষতি করে। পাশাপাশি এগুলো ক্যারিয়ার লকড (Carrier Locked) বা চোরাই ফোন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। করণীয়: Settings > General > About-এ গিয়ে Carrier Lock অপশনটি দেখুন। সেখানে অবশ্যই "No SIM restrictions" লেখা থাকতে হবে। যদি কোনো নির্দিষ্ট অপারেটরের নাম থাকে, তবে সেই ফোনে বাংলাদেশের সিম চলবে না। এছাড়া ফোনের মডেল নম্বরের প্রথম অক্ষরটি খেয়াল করুন— 'M' মানে রিটেল (নতুন কেনা), 'F' মানে অ্যাপল কর্তৃক রিফারবিশড (Refurbished), এবং 'N' মানে রিপ্লেসমেন্ট (Replacement) ডিভাইস। ৫. ফেস আইডি (Face ID) বা টাচ আইডি নষ্ট থাকলে সেই আইফোনের দাম ও কার্যকারিতা অর্ধেক হয়ে যায়। অনেক সময় মাদারবোর্ডের কাজের কারণে বা পানি ঢোকার ফলে ফেস আইডি চিরতরে ডেড হয়ে যায়। এছাড়া ফোন একবার খোলা হলে এর ভেতরের ওয়াটারপ্রুফ গাম বা সিল নষ্ট হয়ে যায়। করণীয়: ফেস আইডি নতুন করে সেটআপ করে পরীক্ষা করার পাশাপাশি ফোনের সিম ট্রে-টি খুলুন এবং স্লটের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভেতরে হালকা ফু দিয়ে বাতাস দেওয়ার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন বাতাস সহজেই ভেতরে চলে যাচ্ছে (কোনো বাধা পাচ্ছে না), তবে বুঝবেন ফোনটি আগে খোলা হয়েছিল এবং এর ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স সিলটি আর অক্ষত নেই। ওপরের সবগুলো বিষয় যদি আপনার কাছে ঠিকঠাক মনে হয়, তাহলে বিক্রেতার হাতে টাকা তুলে দেওয়ার ঠিক আগে নিচের দুটি শেষ ধাপ অবশ্যই সম্পন্ন করুন— ১. বিক্রেতার সামনেই ফোনটি Settings > General > Transfer or Reset iPhone থেকে Erase All Content and Settings দিয়ে সম্পূর্ণ ফ্যাক্টরি রিসেট দিন। এরপর আপনার নিজের সিম কার্ড ঢুকিয়ে এবং ওয়াই-ফাই কানেক্ট করে ফোনটি নতুন করে চালু (Activate) করুন। ফোনটি বাইপাস করা বা আইক্লাউড লক থাকলে এই ধাপে ধরা পড়ে যাবে। ২. ডায়াল প্যাডে *#06# চেপে IMEI নম্বরটি নিন। এটি অ্যাপলের অফিশিয়াল সাইটে (checkcoverage.apple.com) চেক করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কোনো ‘Blacklist Checker’ ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিন ফোনটি চুরি হওয়া, হারানো বা আন্তর্জাতিকভাবে ব্লকড কি না।">
পুরাতন আইফোন কেনার আগে এই ভুলগুলো করবেন না
Somoy TV

পুরাতন আইফোন কেনার আগে এই ভুলগুলো করবেন না

সেটিংসের ‘Genuine Part’ লেখা দেখে বা ব্যাটারি হেলথ ৯০% পেয়েই ভাবছেন পছন্দের আইফোনটি একদম ফ্রেশ? একটু থামুন! প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে ব্যবহৃত বা পুরাতন আইফোনের বাজারে প্রতারণার কৌশলও এখন উন্নত হয়েছে। সাধারণ ক্রেতা তো বটেই, অনেক সময় অভিজ্ঞদের পক্ষেও খালি চোখে এই জালিয়াতি ধরা অসম্ভব।বর্তমানে থার্ড-পার্টি ডিভাইস এবং কাস্টম সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফোনের ভেতর এমন সব পরিবর্তন করা হচ্ছে, যা ফোনের সেটিংসও ধরতে পারে না। তাই পেমেন্ট করার আগে নতুন ৫টি প্রযুক্তিগত জালিয়াতি এবং তা ধরার আধুনিক সবচেয়ে জরুরী উপায়গুলো অবশ্যই জেনে নিন। ১. পূর্বে মানুষ শুধু Settings > General > About থেকে "Parts and Service History" দেখেই নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু বর্তমানে JC Programmer-এর মতো থার্ড-পার্টি ডিভাইস ব্যবহার করে নকল ডিসপ্লে, ক্যামেরা বা ব্যাটারিতে অরিজিনাল পার্টসের সিরিয়াল নম্বর রাইট (Copy-Paste) করে দেওয়া হয়। ফলে ফোনটি আসল মাদারবোর্ডের সিরিয়াল রিড করে নকল পার্টসকেও "Genuine Apple Part" হিসেবে দেখায়। করণীয়: শুধুমাত্র ফোনের সেটিংসের ওপর ভরসা করবেন না। ফোনটি কেনার সময় সম্ভব হলে একটি ল্যাপটপে 3uTools বা iMazing সফটওয়্যার কানেক্ট করে এর সম্পূর্ণ "Verification Report" চেক করুন। এটি মাদারবোর্ডের আসল সিরিয়াল নম্বরের সাথে প্রতিটি পার্টসের ফ্যাক্টরি সিরিয়াল মিলিয়ে নিখুঁত ও সত্য রিপোর্ট দেয়। ২. আইফোনের ডিসপ্লে পরিবর্তন করা হলে সাধারণত 'True Tone' অপশনটি গায়েব হয়ে যায়। কিন্তু এখন অরিজিনাল ডিসপ্লে চিপের ডেটা কপি করে ডুপ্লিকেট ডিসপ্লেতেও ট্রু টোন অ্যাক্টিভেট করে রাখা যায়। এছাড়া আইফোন ১৩ প্রো বা তার পরবর্তী মডেলগুলোর ১২০ হার্জের (ProMotion) প্রিমিয়াম ডিসপ্লে বদলে সস্তা ৬০ হার্জের প্যানেল লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটছে। করণীয়: Control Center-এ গিয়ে ব্রাইটনেস বারটি চেপে ধরে শুধু True Tone অন-অফ হচ্ছে কি না তা দেখবেন না, বরং ডিসপ্লের ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল এবং স্ক্রল করার সময় মসৃণতা (Refresh Rate) খেয়াল করুন। ওলেড (OLED) ডিসপ্লের জায়গায় সস্তা এলসিডি (LCD) লাগানো হলে স্ক্রিনের চারপাশের বেজেল বা বর্ডার কিছুটা মোটা দেখাবে। ৩. আগে ব্যাটারি হেলথ ৮০%-এর নিচে থাকলে মানুষ ফোন কিনত না। এই সুযোগে প্রতারকরা বিশেষ হার্ডওয়্যার ডিভাইস দিয়ে ব্যাটারির আসল হেলথ (ধরুন যা আসলে ৭৫%) বুস্ট করে সাময়িকভাবে ৯০% বা ৯৫% বানিয়ে দেয়। ফোন কেনার কয়েকদিন পরেই এই হেলথ হুট করে ১০-১৫% ড্রপ করে। করণীয়: ব্যাটারির চার্জিং সাইকেল (Cycle Count) চেক করুন। যদি দেখেন ব্যাটারি হেলথ ৯৫%, কিন্তু চার্জিং সাইকেল ৭০০ বা ৮০০-এর ওপরে, তবে বুঝবেন ব্যাটারি হেলথ বুস্ট করা বা ফেক। আইফোন ১৫ বা তার পরবর্তী মডেলগুলোতে সরাসরি Settings > Battery- তেই সাইকেল কাউন্ট দেখা যায়। পুরোনো মডেলের সাইকেল কাউন্ট দেখতে ল্যাপটপে 3uTools ব্যবহার করুন। ৪. আমেরিকা বা ইউরোপের অনেক আইফোন (বিশেষ করে আইফোন ১৪ ও পরবর্তী মডেলগুলো) শুধুমাত্র eSIM সমর্থিত, সেগুলোতে কোনো ফিজিক্যাল সিম স্লট থাকে না। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই ফোনগুলোর বডি ড্রিল (কেটে) করে ভেতরে সস্তা চাইনিজ সিম ট্রে বসিয়ে "ফিজিক্যাল সিম" বলে বিক্রি করছে, যা ফোনের মাদারবোর্ডের স্থায়ী ক্ষতি করে। পাশাপাশি এগুলো ক্যারিয়ার লকড (Carrier Locked) বা চোরাই ফোন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। করণীয়: Settings > General > About-এ গিয়ে Carrier Lock অপশনটি দেখুন। সেখানে অবশ্যই "No SIM restrictions" লেখা থাকতে হবে। যদি কোনো নির্দিষ্ট অপারেটরের নাম থাকে, তবে সেই ফোনে বাংলাদেশের সিম চলবে না। এছাড়া ফোনের মডেল নম্বরের প্রথম অক্ষরটি খেয়াল করুন— 'M' মানে রিটেল (নতুন কেনা), 'F' মানে অ্যাপল কর্তৃক রিফারবিশড (Refurbished), এবং 'N' মানে রিপ্লেসমেন্ট (Replacement) ডিভাইস। ৫. ফেস আইডি (Face ID) বা টাচ আইডি নষ্ট থাকলে সেই আইফোনের দাম ও কার্যকারিতা অর্ধেক হয়ে যায়। অনেক সময় মাদারবোর্ডের কাজের কারণে বা পানি ঢোকার ফলে ফেস আইডি চিরতরে ডেড হয়ে যায়। এছাড়া ফোন একবার খোলা হলে এর ভেতরের ওয়াটারপ্রুফ গাম বা সিল নষ্ট হয়ে যায়। করণীয়: ফেস আইডি নতুন করে সেটআপ করে পরীক্ষা করার পাশাপাশি ফোনের সিম ট্রে-টি খুলুন এবং স্লটের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভেতরে হালকা ফু দিয়ে বাতাস দেওয়ার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন বাতাস সহজেই ভেতরে চলে যাচ্ছে (কোনো বাধা পাচ্ছে না), তবে বুঝবেন ফোনটি আগে খোলা হয়েছিল এবং এর ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স সিলটি আর অক্ষত নেই। ওপরের সবগুলো বিষয় যদি আপনার কাছে ঠিকঠাক মনে হয়, তাহলে বিক্রেতার হাতে টাকা তুলে দেওয়ার ঠিক আগে নিচের দুটি শেষ ধাপ অবশ্যই সম্পন্ন করুন— ১. বিক্রেতার সামনেই ফোনটি Settings > General > Transfer or Reset iPhone থেকে Erase All Content and Settings দিয়ে সম্পূর্ণ ফ্যাক্টরি রিসেট দিন। এরপর আপনার নিজের সিম কার্ড ঢুকিয়ে এবং ওয়াই-ফাই কানেক্ট করে ফোনটি নতুন করে চালু (Activate) করুন। ফোনটি বাইপাস করা বা আইক্লাউড লক থাকলে এই ধাপে ধরা পড়ে যাবে। ২. ডায়াল প্যাডে *#06# চেপে IMEI নম্বরটি নিন। এটি অ্যাপলের অফিশিয়াল সাইটে (checkcoverage.apple.com) চেক করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কোনো ‘Blacklist Checker’ ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিন ফোনটি চুরি হওয়া, হারানো বা আন্তর্জাতিকভাবে ব্লকড কি না।

Go to News Site