Somoy TV
মাদারীপুর শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আয়োজন করা হয় কাবাডি খেলা। বিলপদ্মা নদীরপাড়ে ছিলারচরে জেগে ওঠা চরে এ খেলা দেখতে শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সের মানুষ ভিড় করে। প্রখর রোদে মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে পরিণত হয় এক মিলন মেলায়।শনিবার (৩০ মে) দুপুরের পর থেকে স্বপ্নের আলো মানবিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলা দেখতে মাঠে আসতে থাকেন দর্শকরা। দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজন দেখতে পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন দর্শকরা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষ হয় ৪০ মিনিটের খেলা। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে বছরের বিশেষ বিশেষ দিনে এমন আয়োজনের দাবি দর্শকদের। নিজেদের মনবল চাঙ্গা রাখার পাশাপাশি দর্শকদের আনন্দ দেয়াই মূল লক্ষ্য ছিল বলে জানান খেলোয়াড়রা। ১-০ সেটে প্রবাসী কিং ক্লাবকে হারিয়ে বিজয় লাভ করে বাংলার দামাল দল। খেলা শেষে অংশ নেয়া দুদলের হাতে ট্রফি, নগদ টাকা ও রঙ্গিন টেলিভিশন পুরস্কার হিসেবে তুলে দেন আগত অতিথিরা। এদিকে যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে শুধু কাবাডিই নয়, হারিয়ে যাওয়া সব ধরনের খেলা মাঠে ফিরিয়ে আনার কথা জানান আয়োজকরা। আরও পড়ুন: ২৪ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক জকোভিচকে হারিয়ে ১৯ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ানের ইতিহাস খেলা দেখতে আসা দর্শক সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘পরিবারের সবাই একসঙ্গে এই খেলা দেখে আনন্দ পেয়েছি। ঈদের তৃতীয় দিনে এমন খেলা মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।’ আরেক দর্শক নাসির উদ্দিন লিটন বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে এই খেলা দেখে খুবই আনন্দিত হয়েছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা দর্শকরাও এই খেলা উপভোগ করেছেন। এক বাড়তি আনন্দ পেয়েছে শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সের মানুষ।’ খেলোয়াড় আজিজুল আকন বলেন, ‘খেলায় জয়-পরাজয় বড় বিষয়ই নয়। মানুষকে আনন্দ দিতে পেরেছি, এটাই সফলতা। আগামী দিনে আরও ভালো জায়গায় গিয়ে আমরা খেলতে চাই।’ আরেক খোলোয়াড় নুর আলম বলেন, ‘আগে প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় হাডুডু খেলায় অংশ নিতাম। কিন্তু এখন আর এই খেলা তেমন একটা দেখা যায়। আমরা চাই নিয়মিত সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কিংবা বিভিন্ন সংগঠন এই ধরনের খেলার আয়োজন করুক।’ আরও পড়ুন: ফেনীর সেই শিক্ষিকার খোঁজ করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, দিলেন ক্রীড়াঙ্গনে কাজের প্রস্তাব কাবাডি খেলার আয়োজন মো. ফজলুল হাওলাদার বলেন, শুধু জাতীয় এই খেলাই নয়, আগামী ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের খেলার আয়োজন করা হবে, যাতে যুবসমাজ মাদকমুক্ত থাকে। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে স্বপ্নের আলো মানবিক সংগঠনের প্রত্যেক সদস্য।
Go to News Site