Collector
ইবোলার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও স্কুল বন্ধ করবে না কঙ্গো | Collector
ইবোলার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও স্কুল বন্ধ করবে না কঙ্গো
Somoy TV

ইবোলার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও স্কুল বন্ধ করবে না কঙ্গো

ইবোলা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে স্কুল বন্ধের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে কঙ্গো। যদিও চলতি মে মাসের মাঝামাঝি থেকে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তবে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী রজার কাম্বা জানিয়েছেন, দেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে স্কুল খোলা রাখা হবে।গত শুক্রবার (২৯ মে) ইবোলা কবলিত ইতুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়া সফর করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রজার কাম্বা। এ সময় তিনি বলেন, স্কুল বন্ধ করার পরিবর্তে আরও ভালো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেবে সরকার। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর কারণ ছিল নিজেরাই ওষুধ খাওয়া এবং চিকিৎসা নিতে অনেক দেরি করা। তিনি পরিবারগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন, সন্দেহজনক কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাম্বা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা স্কুল বন্ধ করব না। আমরা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব, যাতে শিশুদের দুবার শাস্তি না দিতে হয়।’ গত ১৫ মে থেকে শুরু হওয়া বর্তমান ইবোলার প্রাদুর্ভাব ভাইরাসের বুন্দিবুগিও স্ট্রেইন দ্বারা সৃষ্ট বলে জানা গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, এই স্ট্রেইনের নিশ্চিত কেসে মৃত্যুর হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ। অধিকাংশ কেস পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি, উত্তর কিভু এবং দক্ষিণ কিভু প্রদেশে দেখা দিয়েছে। আরও পড়ুন: ইবোলা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক, বাড়ছে মৃত্যু ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুসারে, এই প্রাদুর্ভাবে কঙ্গো এবং প্রতিবেশী উগান্ডায় মোট অন্তত ১৩৪টি নিশ্চিত কেস শনাক্ত হয়েছে। উগান্ডায় ৯টি সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ১,০০০-এর বেশি সন্দেহজনক কেস শনাক্ত করেছেন। আফ্রিকা সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কঙ্গোতে অন্তত ১,০৭৭টি সন্দেহজনক কেস এবং ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানোম গেব্রেইয়েসুস শনিবার বুনিয়া সফর করেন এবং সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখতে যান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কঙ্গো সরকারকে সহায়তা করছে, তবে স্থানীয় সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘আমরা সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা করতে এসেছি, দেখতে এসেছি যে প্রতিক্রিয়া কেমন চলছে এবং কোনো চ্যালেঞ্জ থাকলে সাহায্য করতে,’ বলেন টেড্রোস। আরও পড়ুন: কঙ্গোয় ইবোলার চিকিৎসা করতে গিয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু, নতুন করে উদ্বেগ ডব্লিউএইচও সতর্ক করেছে যে, প্রকৃত প্রাদুর্ভাবের আকার প্রতিবেদনে যা দেখানো হয়েছে তার চেয়ে বড় হতে পারে, কারণ কঙ্গোতে পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি নেই যা সব কেস নিশ্চিত করতে পারে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ভাইরাসটি আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত হওয়ার আগেই সম্ভবত ছড়িয়ে পড়ছিল।

Go to News Site