Somoy TV
প্রথম কর্মদিবসে যোগ দিতে রেলপথে ঢাকায় ফেরা মানুষের কাছ থেকে ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উত্তববঙ্গের প্রায় প্রতিটি ট্রেনই ফিরেছে দুই-আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে। ট্রেনগুলোতেও যথেষ্ঠ যাত্রী চাপ দেখা গেছে। একই রকম অবস্থা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও। তবে এবার ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ঘাট এলাকায় তেমন কোনো ভোগান্তি বা দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি যাত্রীদের। সড়কপথেও ঢাকায় ফিরছে মানুষ তবে যাত্রী চাপ অনেকটাই কম।প্রিয়জনের সান্নিধ্য ছেড়ে আবারও কর্মব্যস্ত নগরী তিলোত্তমা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। ঈদে টানা ৭ দিনের ছুটির শেষদিনে ভোর থেকেই ঢাকায় আসা ট্রেনগুলোতে দেখা গেছে বাড়তি চাপ। প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো ঈদ আনন্দের সুখ স্মৃতি সবার চোখে মুখে। তবুও জীবিকার তাগিদে ইটকাঠের নগরীতে ফেরা হচ্ছে তাদের বলে জানান তারা। অনেকে বলেন, ফেরার সময় মা-বাবা কান্না করেন, মন খারাপ তবুও জীবিকার তাগিদে ফিরতে হয়। ঈদযাত্রার মত ফিরতি যাত্রায়ও ভোগান্তি পড়েন উত্তরবঙ্গের যাত্রীরা। এদিন রংপুর, বুড়িমারী, নীলসগরসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকায় প্রবেশ করে। তবে যাত্রী চাপ কিছুটা কম থাকায় স্বস্তির কথা জানান অনেকেই। আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে জমি বাছাই, দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রত্যাশা ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার জানান, অতিরিক্ত যাত্রীচাপে ট্রেনের গতি কিছুটা কমেছে। শিডিউল বিপর্যয় ঠেকাতে তৎপরতার কথাও জানান। ঈদ ছুটির শেষদিনে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও ছিলো যাত্রীচাপ। ভোরের আলো ফোটার আগেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের পদচারনায় মুখর হয় টার্মিনাল। ছিলো না বাড়তি ভাড়া আদায়ের তেমন কোন অভিযোগ। এদিকে, ঈদ শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে সড়ক পথেও ছিলো বাড়তি চাপ। রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী টার্মিনালে যাত্রীচাপ দেখা গেছে। তবে ফিরতি পথে বাড়তি ভাড়া ও যানজট না থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তারা। ঈদের ৭ দিনের ছুটি শেষে সোমবার থেকে অফিস-আদালত খোলায় বিকেল থেকে যাত্রীচাপ আরও বাড়তে পারে।
Go to News Site