Somoy TV
আসন্ন বিশ্বকাপে স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা মিকেল ওয়ারসাবাল। তবে লা লিগার ক্লাব রিয়াল সোসিয়েদাদের এই তারকা ফরোয়ার্ডের জীবনকাহিনি সাধারণ কোনো ফুটবলারের মতো নয়। ছোটবেলায় ওয়ারসাবাল সাঁতারে পদক জিতেছিলেন, জুডো অনুশীলন করেছিলেন, যে খেলাটির সঙ্গে তার বাবারও সম্পর্ক ছিল। শুধু তাই নয়, পড়াশুনাতেও এই ফুটবলার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। স্পেনের ইউনিভার্সিটি অব দেউস্তো থেকে ব্যবসায় প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি।২৯ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারের আরেকটি অসাধারণ রেকর্ড রয়েছে। তিনি যে সব ফাইনালে খেলেছেন, প্রায় সবগুলোতেই গোল করেছেন। স্পেনের হয়ে ২০২০ অলিম্পিকের ফাইনালে (স্বর্ণপদক জয়), ২০২১ ও ২০২৫ এর উয়েফা নেশন্স লিগের ফাইনালে, এবং ২০২৪ এর ইউরোর ফাইনালে তিনি ওয়ারসাবাল স্পেনের হয়ে গোল করেন। বিশেষ করে ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে তার গোলই স্পেনকে শিরোপা এনে দেয়। এছাড়া ক্লাব ফুটবলে কোপা দেল রে'র ফাইনালেও গোল করে রিয়াল সোসিয়েদাদকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেন।ওয়ারসাবাল আধুনিক ফুটবলের বিরল ‘ওয়ান-ক্লাব ম্যান’দের একজন। ১৪ বছর বয়সে তিনি রিয়াল সোসিয়েদাদের একাডেমিতে যোগ দেন এবং এরপর আর কখনো ক্লাব পরিবর্তন করেননি। ১৮ বছর বয়সে লা লিগায় অভিষেকের পর থেকে তিনি ক্লাবটির অন্যতম প্রধান মুখে পরিণত হয়েছেন। বর্তমানে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এক দশকের বেশি সময়ে ৪৩৭ ম্যাচে ১৩৩ গোল ও ৬৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন। আরও পড়ুন: ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের ২৫ জনের জন্মই প্রবাসে, কুসারাও যেভাবে বাজিমাত করলএবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ওয়ারসাবাল। কারণ, ২০২২ এর বিশ্বকাপের আগে বাঁ হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে যাওয়ায় তিনি প্রায় এক বছর মাঠের বাইরে ছিলেন এবং কাতার বিশ্বকাপ মিস করেন। তবে চোট কাটিয়ে ফেরার পর তিনি কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত হন। ‘লা রোহা’র জার্সিতে ৫২ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ২৪।২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেন রয়েছে গ্রুপ এইচে। তাদের প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে, সৌদি আরব এবং উরুগুয়ে। শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচিত স্পেন ১৫ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে। এরপর ২১ জুন তারা সৌদি আরবের মুখোমুখি হবে। আর ২৬ জুন গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে স্পেন খেলবে উরুগুয়ের বিপক্ষে।
Go to News Site