Jagonews24
ঈদুল আজহার সিনেমাপাড়া এখন উৎসবমুখর। নতুন সিনেমা মুক্তিকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ, প্রেক্ষাগৃহে তারকাদের উপস্থিতি এবং প্রচারণা মিলিয়ে জমে উঠেছে উৎসবের আমেজ। নিজের অভিনীত সিনেমা ‘মালিক’-এর প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দর্শকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন তিনি। প্রচারণার ফাঁকে ক্যারিয়ার, সিনেমার সাফল্য-ব্যর্থতা এবং বক্স অফিসের অনিশ্চয়তা নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেতা। তিনি মনে করেন, সিনেমার ভবিষ্যৎ আগে থেকে অনুমান করা প্রায় অসম্ভব। এ প্রসঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম ব্যবসাসফল সিনেমা ‘বেদের মেয়ে জোছনা’র উদাহরণ টানেন শুভ। তিনি বলেন, ‘কাঞ্চন সাহেবের মুখ থেকেই শোনা, ‘বেদের মেয়ে জোছনা’র শুটিংয়ের সময় অনেকেই নাকি তাকে ফোন করে বলেছিলেন, গাজীপুরে গিয়ে সাপের খেলা দেখাচ্ছেন, পাগল হয়ে গেছেন নাকি? কিন্তু মুক্তির পর সেই ছবি যা ইতিহাস তৈরি করল, তা তো সবারই জানা।’ শুভর মতে, একটি সিনেমা মুক্তির আগে সেটি নিয়ে নানা ধরনের ধারণা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত দর্শকের প্রতিক্রিয়াই নির্ধারণ করে ছবির ভাগ্য। তিনি বলেন, ‘অনেক আশা নিয়ে কাজ করেছি, এমন ছবি হয়তো অতটা দর্শকনন্দিত হয়নি। আবার এমনও হয়েছে, যে ছবি নিয়ে সবচেয়ে বেশি টেনশনে ছিলাম, সেটাই দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন। সিনেমা আসলে খুবই অনিশ্চিত একটি মাধ্যম।’‘মালিক’ ছবিতে মিমের সঙ্গে আরিফিন শুভ তিনি আরও বলেন, ‘আপনি যতই বিপণন বা প্রচারণা করুন না কেন, শেষ পর্যন্ত সিনেমা ভালো লাগবে কি লাগবে না, সেই সিদ্ধান্ত দর্শকের। তাই কোনো ছবির সাফল্য বা ব্যর্থতা আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা যায় না।’ ক্যারিয়ারের নানা ধাপের কথা তুলে ধরে শুভ জানান, দীর্ঘ পথচলায় তিনি নিজেকে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছেন। ‘২০০৪ সালে ফ্যাশন শো দিয়ে যাত্রা শুরু করি। এরপর মডেলিং, রেডিও, টেলিভিশন, সিনেমা ও ওটিটিতে কাজ করেছি। ‘ছুঁয়ে দিলে মন’-এর মতো রোমান্টিক ছবি, ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর মতো অ্যাকশনধর্মী সিনেমা, ‘মিশন এক্সট্রিম’-এর মতো শারীরিক প্রস্তুতিনির্ভর কাজ এবং ‘জ্যাজ সিটি’র মতো ভিন্নধর্মী কনটেন্টে কাজ করেছি। আমি কী করতে পারি, সেটা ইন্ডাস্ট্রি জানে’, বলেন তিনি এমআই/এলআইএ
Go to News Site