Somoy TV
চলে গেলেন ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ। শেষবারের মতো তোফায়েল আহমেদের মরদেহ দেখার অপেক্ষায় জড়ো হন অনেকেই। এসময় স্মৃতিচারণ করেন তারা।সোমবার (১ জুন) বেকেল সাড়ে ৩টায় ৮২ বছর বয়সে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবরে ছুটে আসেন দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রাজনীতিবিদ ও শুভানুধ্যায়ীরা। প্রথম দফায় বাদ মাগরিব জানাজা হয় ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে। এতে অংশ নেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। জানাজা শেষে স্মৃতিচারণ করেন তারা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তোফায়েল আহমেদের নাতনি। তিনি বলেন, ‘তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আমি তার ভাগিনার মেয়ে হই। তিনি লাখ লাখ মানুষের উপকার করে গেছেন।’ আরও পড়ুন: ডাকসুর ভিপি থেকে জাতীয় নেতা: তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য পথচলা সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেন, ‘যখন তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে লিখেছি, তখন তার সহনশীলতা দেখেছি। তিনি প্রতিহিংসা দেখাননি। সেটা আমি আজীবন মনে রাখব।’ এক শুভানুধ্যায়ী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদ উজ্জল নক্ষত্র। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান মানেই হচ্ছেন তোফায়েল আহমেদ। ৭০- এর নির্বাচনেও তার গুরুত্ব অপরিসীমা। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য যত আন্দোলন হয়েছে--সবগুলোতে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আরও কয়েকজন শুভানুধ্যায়ী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যতটুকু মর্যাদা পাওয়ার, সেটাই আমরা সরকারের কাছে প্রত্যাশা করব।’ আরও পড়ুন: ৯ বারের এমপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ ধানমন্ডিতে জানাজা শেষে তার মরদেহ নেয়া হয় স্কয়ার হাসপাতালে। হেলিকপ্টারযোগে মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে মরদেহ নেয়া হবে ভোলায়। বাদ জোহর ভোলা সরকারি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে কোড়ালিয়া গ্রামে মায়ের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি।
Go to News Site