Jagonews24
ফরিদপুরের ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ জনের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে দুই শিশু। সোমবার (১ জুন) দিনগত রাত সাড়ে চারটার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গার মালিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তারা ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। নিহতরা হলেন, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নুরজাহান (৫০), ইলিয়াস হোসেনের স্ত্রী আয়শা বেগম (২৮), শহীদুল ইসলামের ছেলে আরিফ ইসলাম (২৪), রাকিব (১৮) এবং অজ্ঞাতনামা প্রাইভেটকার চালক (২৫)। আহত শিশুরা হলো- আশরাফুল হোসেন (৭) ও তাছফিয়া (৩)। হতাহতরা সবাই প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিলেন। নিহত পাঁচ জনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য। আরেকজন প্রাইভেটকারের চালক। হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা থেকে যশোরগামী একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার মালীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গ্যাস ভর্তি ট্রাকের পেছনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি ট্রাকের নিচে দুমড়ে-মুচড়ে ঢুকে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চার যাত্রী ও চালক নিহত হন। খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আবু জাফর জানান, প্রাইভেটকারটি ট্রাকের পেছনে আটকে থাকায় গাড়ির অংশ কেটে চালকের মরদেহ এবং বাকিদের উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, গুরুতর আহত দুই শিশুকে প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত পাঁচ জনের মধ্যে একই পরিবারের চার জন। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে এবং নিহত চালকের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ। এন কে বি নয়ন/এফএ
Go to News Site