Somoy TV
দৈনন্দিন জীবনে বেসামাল খাওয়ার পাশাপাশি শারীরিক পরিশ্রমের পরিমাণ কমেছে। এসবের সাথে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন শরীরে জমার সুযোগ করে দিচ্ছে অতিরিক্ত চর্বি জমার। এমন সমস্যার সমাধানে সকালের সময়কে কাজে লাগাতে পারেন।ফিটনেস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে নিয়মিত অর্ধকূর্মাসন পেটের মেদ দ্রুত কমাতে পারে। এসময় খালি পেটে আসন অনুশীলন করায় সরাসরি পেটের পেশিতে টান পড়ে যা জমে থাকা চর্বি গলাতে সাহায্য করে। আসুন এক নজরে জেনে নিই, অর্ধকূর্মাসন অনুশীলনের পদ্ধতি ও উপকারিতা সম্পর্কে- অনুশীলন পদ্ধতি এই আসনটি নিয়মিত অনুশীলন করতে প্রথমে মাটিতে বজ্রাসনে বসুন। অর্থাৎ মাটিতে ভাজ করা পায়ের ওপর বসুন। ধীরে ধীরে মাথা মাটিতে ঠেকান। এইবার হাত দুটি সোজা করে একসঙ্গে জড়ো করে মাথার ওপরে তুলুন নমস্কারের ভঙ্গিতে। এই আসন করার সময় খেয়াল রাখবেন, যেন পেট ও বুক ঊরুর সঙ্গে লেগে থাকে। পেট ও উরুতে হালকা চাপ প্রয়োগ করতে পারেন। এতে সে স্থানে প্রেশার পড়বে এবং জমে থাকা চর্বি ঝড়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে। এই অবস্থায় ২০ মিনিট অনুশীলন করতে হবে। প্রতি ২ মিনিট অন্তর অন্তর ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড বিশ্রাম নিতে পারেন। চাইলে এ বিশ্রাম শবাসনে অর্থাৎ হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে বিশ্রাম নিতে পারেন। এ আসন শেষে ধীরে ধীরে সোজা হয়ে বসে পড়ুন। আরও পড়ুন: কোন যোগাসনে কোন রোগের মুক্তি? উপকারিতা ১। নিয়মিত ভোরে এ আসন অনুশীলন করলে মাত্র দুই সপ্তাহে পেট ও নিতম্বের চর্বি কমে যাবে। ২। পেটে চাপ পড়ার কারণে গ্যাস্ট্রিক, অম্লতা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের বিভিন্ন রোগ দূর হয়। ৩। এ আসন অনুশীলনের সময় সামনের দিকে ঝুঁকতে হয়। এটি শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখায় মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে যা ক্লান্তি, মানসিক চাপ, মাইগ্রেন এবং মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। ৪। পিঠ ও মেরুদণ্ডকে প্রসারিত করার মাধ্যমে পিঠের ব্যথা ও ঘাড়ের আড়ষ্টতা কমায়। ৫। কাঁধের পেশি শক্তিশালী করে এবং ফ্রোজেন শোল্ডারের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৬। ফুসফুস সহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এটি উপকারী। ৭। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও কাজ করতে পারে অর্ধকূর্মাসন। এটি অগ্ন্যাশয়কে উদ্দীপ্ত করে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। আরও পড়ুন: বিভিন্ন যোগাসনের উপকারিতা
Go to News Site