Jagonews24
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে টার্গেট হচ্ছে বিপণিবিতান ও দোকানপাট কোরবানি ঈদে বিক্রি কমেছে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ গত ঈদুল ফিতরেও বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ কম ছিল দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা চান ব্যবসায়ীরা দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম জোরদার করতে সব বিপণিবিতান ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত মেনে নিলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, সাধারণত সন্ধ্যার পরই ক্রেতাদের সিংহভাগ বিপণিবিতানে আসেন কেনাকাটা করতে। পিক সময়ে দোকান বন্ধ রাখলে ব্যবসায় ধস নামবে তাদের। এমতাবস্থায় দোকান খোলা রাখার সময়সীমা বিষয়ে সরকারকে বিকল্প ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, দোকানপাট বন্ধে সরকারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পর বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছেন তারা। ফের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ব্যবসায় আরও ধস নামবে বলে আশঙ্কা তাদের। সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাবে এবারের ঈদুল আজহায় গত কোরবানির ঈদের চেয়ে বিক্রি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমেছে। তাই ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, সন্ধ্যায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সরকারের বিকল্প পন্থা অবলম্বন করা উচিত। ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনে দুপুর ১২টায় দোকান খুলে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা করতে চান। গত বৈশাখে বিক্রি কম হয়েছে সন্ধ্যায় মার্কেট বন্ধ হওয়ায়/ছবি: জাগো নিউজ ব্যবসায়ীরা বলছেন, সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাবে এবারের ঈদুল আজহায় গত কোরবানির ঈদের চেয়ে বিক্রি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমেছে। তাই ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, সন্ধ্যায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সরকারের বিকল্প পন্থা অবলম্বন করা উচিত। ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনে দুপুর ১২টায় দোকান খুলে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা করতে চান। যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা জানতে চাইলে ফ্যাশন হাউজ সাদাকালোর অন্যতম উদ্যোক্তা এবং ফ্যাশন এন্টারপ্রেনার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এফইএবি) সভাপতি আজহারুল হক আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ রাখার প্রভাব আমরা এরই মধ্যে ঈদের মৌসুমে দেখেছি। ঈদ উপলক্ষে সময়সীমা কিছুটা বাড়ানো হলেও পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হয়নি। কারণ ক্রেতাদের আচরণ ও বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব আগেই তৈরি হয়ে গেছে। বাস্তবতা হলো, আমাদের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্রেতাই সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করতে আসেন। ফলে সন্ধ্যার পর ব্যবসার সুযোগ সীমিত হলে বিক্রিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।’ ‘সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ রাখার প্রভাব আমরা এরই মধ্যে ঈদের মৌসুমে দেখেছি। ঈদ উপলক্ষে সময়সীমা কিছুটা বাড়ানো হলেও পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হয়নি। কারণ ক্রেতাদের আচরণ ও বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব আগেই তৈরি হয়ে গেছে। বাস্তবতা হলো, আমাদের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্রেতাই সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করতে আসেন। ফলে সন্ধ্যার পর ব্যবসার সুযোগ সীমিত হলে বিক্রিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।’—আজহারুল হক আজাদ, সভাপতি, ফ্যাশন এন্টারপ্রেনার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এফইএবি) তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু শপিংমল ও মার্কেটকে লক্ষ্যবস্তু করা যৌক্তিক নয়। দেশের বিভিন্ন খাত ও স্থাপনায় বিদ্যুৎ ব্যবহার অব্যাহত থাকলেও বিধিনিষেধের মূল চাপ পড়ছে খুচরা ব্যবসার ওপর। অথচ শপিংমল ও মার্কেটগুলোই অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র।’ দোকান খোলা থাকলেও নেই আশানুরূপ ক্রেতা/ছবি: জাগো নিউজ আজহারুল হক আজাদ আরও বলেন, ‘খুচরা ব্যবসার সঙ্গে লাখো মানুষের জীবিকা জড়িত। এখানে শুধু ব্যবসায়ী নন, কর্মচারী, সরবরাহকারী, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সেবাখাতের মানুষও নির্ভরশীল। ফলে ব্যবসার সময় সীমিত হলে এর প্রভাব পুরো অর্থনৈতিক শৃঙ্খলে পড়ে।’ বিক্রির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গত বছরের কোরবানির ঈদের তুলনায় এবার বিক্রি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমেছে। একইভাবে গত ঈদুল ফিতরেও বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ কম ছিল। বাজারের এই ধারা অব্যাহত থাকলে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমাতে বাধ্য হবে এবং একপর্যায়ে কর্মীসংখ্যা কমানোর মতো সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে।’ আরও পড়ুনশপিংমল-দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশসন্ধ্যায় মার্কেট বন্ধের প্রভাবে রেস্তোরাঁয় বিক্রি অর্ধেকে নামার শঙ্কাসন্ধ্যায় শপিংমল-দোকান বন্ধ হওয়ায় বিক্রিতে ধস, ধাক্কা বৈশাখী বাজারেও৭টায় বন্ধ শপিংমল, পাশেই নিয়মের ‘বালাই নেই’দুপুর ১২টায় খুলে রাত ৯টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চান দোকান মালিকরা এফইএবি সভাপতি আজহারুল হক আরও বলেন, ‘ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের স্বার্থে সরকারকে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় খুচরা ও ফ্যাশন খাতের ওপর চাপ আরও বাড়বে এবং এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পুরো বাজার ব্যবস্থায় পড়বে।’ ‘ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কোনো ধরনের সরকারি সহায়তা পায় না। তারা নিজেদের চেষ্টায়ই ব্যবসা টিকিয়ে রাখেন। এখন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হলে তাদের আয় আরও কমে যাবে। এতে অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক সংকটে পড়বেন।’—হেলাল উদ্দিন, সভাপতি, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি জানতে চাইলে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে। আমাদের দাবি হলো অন্তত রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হোক। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তকে আমরা অপ্রয়োজনীয় মনে করছি। সরকার সম্প্রতি রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা জানিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লে সেটির ব্যবহারও প্রয়োজন। অথচ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নামে সবচেয়ে বেশি চাপ দেওয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর। বাস্তবে একটি দোকান বা মার্কেট কতটুকুই বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে?’ খুচরা বিক্রির ৬০-৭০ শতাংশই হয় সন্ধ্যার পর। এ সময়টাকে পিক আওয়ার বলছেন ব্যবসায়ীরা/ছবি: জাগো নিউজ হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, ‘ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কোনো ধরনের সরকারি সহায়তা পান না। তারা নিজেদের চেষ্টায়ই ব্যবসা টিকিয়ে রাখেন। এখন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হলে তাদের আয় আরও কমে যাবে। এতে অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক সংকটে পড়বেন।’ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্র, ক্লাব ও অন্যান্য বড় বড় স্থাপনায় এখনো ব্যাপকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে। সেখানে দৃশ্যমান কোনো সাশ্রয়ের উদ্যোগ দেখা যায় না। কিন্তু বিদ্যুৎ ব্যবহারে তুলনামূলকভাবে খুবই ছোট অংশীদার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপরই বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।’ হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকারকে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে অন্তত রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দিলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও সচল থাকবে।’ ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা আমরা বুঝি এবং সরকারকে সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত। তবে ব্যবসার বাস্তবতা বিবেচনায় একটি কার্যকর সময়সূচি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। প্রচণ্ড গরমে সকাল ও দুপুরের আগে মার্কেটে ক্রেতা খুব একটা আসে না। মূল বেচাকেনা শুরু হয় বিকেল থেকে এবং রাত পর্যন্ত চলে।’—মো. আরিফুর রহমান, ধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান টিপু জাগো নিউজকে বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। এমনিতেই ব্যবসায়ীরা কঠিন সময় পার করছেন। গত কোরবানির ঈদের তুলনায় এবার আমাদের বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। ঈদ ঘিরে যে পরিমাণ বেচাকেনার প্রত্যাশা ছিল, বাস্তবে তা পূরণ হয়নি।’ বিলবোর্ডের বাতিও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার/ছবি: সংগৃহীত তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক। বড় ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋণ বা অন্য উৎস থেকে কিছুটা সহায়তা পেলেও ছোট ব্যবসায়ীদের সেই সুযোগ নেই। তাদের আয়ের ওপরই পুরো পরিবার ও ব্যবসা নির্ভরশীল। বিক্রি কমে গেলে তাদের টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে।’ নতুন সময়সূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা আমরা বুঝি এবং সরকারকে সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত। তবে ব্যবসার বাস্তবতা বিবেচনায় একটি কার্যকর সময়সূচি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। প্রচণ্ড গরমে সকাল ও দুপুরের আগে মার্কেটে ক্রেতা খুব একটা আসে না। মূল বেচাকেনা শুরু হয় বিকেল থেকে এবং রাত পর্যন্ত চলে।’ আরও পড়ুনসরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা নেই, নিউমার্কেটে রাত সাড়ে ৮টায়ও দোকান খোলা১২ মে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল ও দোকানপাট খোলাসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিলবোর্ডের বাতিও ৭টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ মো. আরিফুর রহমান টিপু আরও বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাব হচ্ছে, প্রয়োজনে দোকান খোলার সময় পিছিয়ে দেওয়া হোক। সরকার চাইলে দুপুর ১২টা, ১টা বা ২টায় দোকান খোলার সময় নির্ধারণ করতে পারে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের অন্তত রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া উচিত। কারণ ক্রেতাদের উপস্থিতি ও বেচাকেনার পিক টাইম মূলত সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয়।’ সরকারি নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে আবারও দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার (১ জুন) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ হলে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন/ছবি: জাগো নিউজ আদেশে বলা হয়, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল। তবে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে সেই সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষে দেওয়া বিশেষ সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও আগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ফলে রাত ১০টার পরিবর্তে সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কার্যক্রম শেষ করতে হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সব ধরনের বিলবোর্ডের বাতি, দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত মেলা, বাণিজ্যমেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ইএইচটি/এমএমকে/এমএফএ
Go to News Site