Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় বুধবার (৩ জুন) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। ব্যবসা ধসের মাশুল খেলাপি ঋণ - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্য-বিনিয়োগ প্রায় স্থবির ছিল। হামলা, মামলা, জ্বালাও-পোড়াও, মব সন্ত্রাস, অ্যাকাউন্ট জব্দ, হয়রানি, বিদেশযাত্রায় বাধাসহ নানা কারণে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা হতাশ-বিক্ষুব্ধ ছিলেন, যার প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। এর ফলে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে খাটালেও পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ব্যবসায় লোকসান বাড়ে। তখন ঋণের কিস্তি বা সুদ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে অনেক উদ্যোক্তার জন্য। এখনো ওই ধারা অব্যাহত রয়েছে। এর ধাক্কা লেগেছে খেলাপি ঋণে।জামিনপ্রাপ্ত ৪২৬ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী তৎপর - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, পালটে গেছে ঢাকার অপরাধ জগতের সমীকরণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর একে একে জামিন পায় শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। এদের মধ্যে আছে মগবাজারের আরমান, মিরপুরের আব্বাস, মোহাম্মদপুরের পিচ্চি হেলাল, বাড্ডার ফ্রিডম রাসু, হাজারীবাগের সানজিদুল ইসলাম ইমন প্রমুখ। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনে বন্দি থাকা ৪২৬ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী জেল থেকে বেরিয়ে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। মুক্তি পেয়ে বেশির ভাগ সন্ত্রাসী পুরোনো আন্ডারওয়ার্ল্ড পুনর্গঠনে তৎপর হয়ে উঠে। আত্মগোপনে থাকা এসব সন্ত্রাসী এখন ঢাকার অপরাধ জগতের নতুন আতঙ্ক। তারা এখন এলাকাভিত্তিক নতুন সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। ৩৮-৪০ রাষ্ট্রীয় মিল পুনরুজ্জীবনে বিদেশী বিনিয়োগ খুঁজছে সরকার - দৈনিক বণিকবার্তায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান মূল উদ্দেশ্য অনুযায়ী আর অর্থনৈতিকভাবে টেকসই অবস্থায় নেই। কয়েক দশক আগে প্রতিষ্ঠিত এসব মিল ও কারখানার বড় অংশ বর্তমানে উৎপাদনহীন অথবা সীমিত সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। ফলে পুরনো কাঠামো ধরে রাখার পরিবর্তে নতুন বিনিয়োগ, নতুন প্রযুক্তি এবং নতুন পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে এসব সম্পদকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরিয়ে আনার কৌশল নিয়েছে সরকার দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদনহীন বা লোকসানে থাকা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মিল ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরিয়ে আনতে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্টের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রায় ৫০টি শিল্প ইউনিটের মধ্যে ৩৮-৪০টি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে অন্তত ছয়টি মিল দ্রুত বেসরকারি অংশগ্রহণে পরিচালনার আওতায় আনার প্রস্তুতিও এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।ছয় মাদক গডফাদারে আতঙ্ক - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ক্যাম্পে থাকতে হলে মাদক বিক্রি করতে হবে। না হলে ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাও, না হয় মরো।’-এমন হুমকি পেয়ে থানা পুলিশের সহযোগিতা চান এক নারী। তবে এতেও রক্ষা হয়নি। মাদক বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় সন্ত্রাসীরা তার বাসায় হামলা চালায়। মারধর করে লুটে নেয় মালপত্র। এমন পরিস্থিতিতে সরেজমিনে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের তালিকাভুক্তদের মধ্যে শীর্ষ ছয় গডফাদারকে ঘিরে জেনেভা ক্যাম্পে সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে। তারা হলেন মনু ওরফে গালকাটা মনু, সালাম, নেটা সেলিম, ইরফান, লালন ও ইমতিয়াজ।তাপদাহের বহুমুখী প্রভাব, প্রস্তুতি কম - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আসছে তাপপ্রবাহ, খরা ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাত। সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনো এই চ্যালেঞ্জকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ইতোমধ্যে দেশে একের পর এক জেলায় তাপপ্রবাহ শুরু হচ্ছে। চলতি জুনের শুরুতেই রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ দেশের ৪০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ শুরু হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। এর মধ্যেই সন্ত্রাসী চক্রের দাপটে আতঙ্কে চিকিৎসকেরা - দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী চক্রের হামলা, হুমকিতে আতঙ্কে রয়েছেন চিকিৎসক-কর্মচারীরা। এসব প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং নিয়োগ, দরপত্র, চাঁদাবাজি, কর্মচারী সমিতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সন্ত্রাসী চক্রগুলোর আধিপত্য বিস্তারের বিরোধে লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে হাসপাতালগুলোর কিছু কর্মচারীর আঁতাত রয়েছে। কর্মচারী সমিতির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বক্ষব্যাধি হাসপাতালের এক কর্মচারী নেতা খুন হয়েছেন। দুই হাসপাতালের উপপরিচালককে কোপানো হয়েছে। হামলার শিকার হয়েছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। প্রাণনাশের হুমকিও দেয়া হয়েছে কয়েকজনকে। হামলার পর কেউ বদলি হয়েছেন, কেউ কর্মস্থলে ফেরেননি।
Go to News Site