Collector
দেশ পরিচালনায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আরও সক্রিয় | Collector
দেশ পরিচালনায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আরও সক্রিয়
Jagonews24

দেশ পরিচালনায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আরও সক্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনার প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশের বিভিন্ন বিষয়ে আগের তুলনায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় রুবিও বলেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে তার বাবা ও পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর থেকে জনসমক্ষে না এলেও মোজতবা খামেনি জীবিত আছেন এবং দেশের কার্যক্রমে আরও গভীরভাবে যুক্ত রয়েছেন বলে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। রুবিও বলেন, ইঙ্গিত রয়েছে যে তিনি কোনো না কোনো পর্যায়ে ক্রমশ বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছেন। যদিও তার সব যোগাযোগই লিখিতভাবে এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হয়েছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে তেহরান। এই প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর দুই দেশের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো। তবে ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেহরান এখনও প্রস্তাবটি বিশ্লেষণ করছে এবং কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি। ইরান মনে করছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার যথেষ্ট নয় এবং ওয়াশিংটনের প্রতি তাদের আস্থার ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে তারা আলোচনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যে কোনো চুক্তির ক্ষেত্রে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির প্রতিশ্রুতি দিতে হবে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ পুনরায় সম্পূর্ণভাবে খুলে দিতে হবে। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা বন্ধ হয়ে গেছে—এমন খবর সঠিক নয়। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে এর পরিণতি কী হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। সিনেটে বক্তব্যে রুবিও আরও জানান, সাম্প্রতিক আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির এমন কিছু বিষয়ও উঠে এসেছে, যেগুলো নিয়ে এক মাস আগেও তেহরান আলোচনা করতে রাজি ছিল না। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এতে এই নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না যে শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য কোনো চুক্তি হবে। রুবিওর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার প্রথম শর্ত হলো হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা। পাশাপাশি ইরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ নিয়ে আলোচনায় সম্মত হতে হবে। ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রশ্নে রুবিও বলেন, শুধু হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া যথেষ্ট নয়। পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যুতে বড় ধরনের ছাড় না দিলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে না। সূত্র: আল-জাজিরা এমএসএম

Go to News Site