Collector
রামিসা হত্যা মামলা: শুনানি শেষে দ্রুত কারাগারে পাঠানো হলো দুই আসামিকে | Collector
রামিসা হত্যা মামলা: শুনানি শেষে দ্রুত কারাগারে পাঠানো হলো দুই আসামিকে
Jagonews24

রামিসা হত্যা মামলা: শুনানি শেষে দ্রুত কারাগারে পাঠানো হলো দুই আসামিকে

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের বুধবার (৩ জুন) আদালতে হাজির করা হয় এবং শুনানি শেষে পৃথক সময়ে দ্রুত কারাগারে পাঠানো হয়। প্রথমে দুপুর ১২টা ৪২ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এজলাস থেকে নামিয়ে প্রিজনভ্যানে করে কেরানিগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকেও একই প্রক্রিয়ায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সোহেল রানা এবং সকাল ১০টা ৫৭ মিনিটে স্বপ্না আক্তারকে আদালতের এজলাসে আনা হয়। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক মাসরুর সালেকীন এজলাসে ওঠার পর আনুষ্ঠানিকভাবে শুনানি শুরু হয়। শুনানির আগে দু’জন আসামিকেই আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। আদালত সূত্রে জানা যায়, সকালে সাড়ে ৮টার দিকে সোহেল রানাকে কেরানিগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সোহেল রানাকে স্বপ্না আক্তারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করতে দেখা গেলেও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তা থামিয়ে দেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে স্বপ্না আক্তারকে আদালতে একটি টুলে বসার সুযোগ দেওয়া হয়। বিচারক এজলাসে ওঠার আগ পর্যন্ত সোহেল রানাকে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। শুনানিতে বিচারক মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অভিযোগের বিভিন্ন দিক আসামিদের সামনে তুলে ধরেন। এ সময় প্রধান আসামি সোহেল রানা নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং ‘ডলার’ নামে একজনকে গ্রেফতারের দাবি জানান। অপর আসামি স্বপ্না আক্তারও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। শুনানি শেষে আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তারা এ মামলায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রত্যাশা করছেন। এমডিএএ/এসএনআর

Go to News Site