Collector
ভারতের বেনারসে ২০০ বছর পুরোনো মসজিদ গুড়িয়ে রেলস্টেশন নির্মাণ | Collector
ভারতের বেনারসে ২০০ বছর পুরোনো মসজিদ গুড়িয়ে রেলস্টেশন নির্মাণ
Jagonews24

ভারতের বেনারসে ২০০ বছর পুরোনো মসজিদ গুড়িয়ে রেলস্টেশন নির্মাণ

ভারতের কাশী রেলওয়ে স্টেশনকে একটি মাল্টি-মডেল পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে পুনর্নির্মাণের জন্য জমি খালি তথা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এ অভিযানে বেনারসের প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। ভেঙ্গে ফেলা আজগাইব শহিদ মসজিদটি রেলওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতাধীন এবং রাজঘাটের কাছে অবস্থিত। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাঠামোটি রেলওয়ের জমিতে অবস্থিত ছিল, যা স্টেশনের আধুনিকীকরণ এবং সম্প্রসারণের জন্য নির্ধারিত। দি স্টেটসম্যান-এর তথ্য মতে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাশী রেলওয়ে স্টেশনের পুনর্নির্মাণের পরবর্তী ধাপের জন্য জমি খালি করার এই প্রক্রিয়াটি জরুরি ছিল। এই উচ্ছেদ অভিযানটি একটি বড় অবকাঠামো প্রকল্পের সাথে যুক্ত। এর অধীনে কাশী রেলওয়ে স্টেশনকে বিমানবন্দরের মতো সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি সমন্বিত পরিবহন হাবে রূপান্তর করা হচ্ছে। আনুমানিক ৩৩০ কোটি থেকে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো—শহরে যাত্রী চলাচল ব্যবস্থা উন্নত করতে রেল, সড়ক, মেট্রো এবং জলপথ পরিবহন নেটওয়ার্ককে একটি একক স্থানে সংযুক্ত করা। অভিযানের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় অভিযান চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে সেজন্য প্রশাসন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার শিব হরি মীনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দেন। এই সময় বেশ কয়েকজন আইপিএস কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য এবং আধাসামরিক বাহিনী ওই এলাকায় এবং এর আশেপাশে মোতায়েন ছিল। অভিযান চলাকালীন দুর্ঘটনাস্থলে প্রবেশের পথ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কর্মকর্তারা জানান, উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় পাঁচটি জেসিবি মেশিন এবং দুটি পোকল্যান্ড এক্সকাভেটর ব্যবহার করা হয়েছে। উচ্ছেদ কাজ শুরু করার আগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এলাকা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন ডিসিপি (কাশী) গৌরব বান্সওয়াল, এডিসিপি বৈভব বাঙ্গার, এসিপি বিজয় প্রতাপ এবং একাধিক থানার পুলিশ কর্মকর্তা। সাইট থেকে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত এই ভারী পুলিশ মোতায়েন বজায় ছিল। প্রস্তাবিত মাল্টি-মডেল হাবটিতে ট্রেন, বাস, মেট্রো পরিষেবা এবং জলপথ পরিবহন ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি যাত্রীদের জন্য একটি কেন্দ্রীভূত ট্রানজিট পয়েন্ট তৈরি করবে। কর্মকর্তারা মনে করেন, এই প্রকল্পটি দেশের অন্যতম ব্যস্ততম তীর্থযাত্রী শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাবে এবং যানজট নিরসন করবে। কেএম

Go to News Site