Collector
আসছে ‘এল নিনো’: জুন-আগস্টেই চরম আবহাওয়ার সতর্কবার্তা জাতিসংঘের | Collector
আসছে ‘এল নিনো’: জুন-আগস্টেই চরম আবহাওয়ার সতর্কবার্তা জাতিসংঘের
Jagonews24

আসছে ‘এল নিনো’: জুন-আগস্টেই চরম আবহাওয়ার সতর্কবার্তা জাতিসংঘের

আগামী কয়েক সপ্তাহ ও মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে ওশেনিয়া অঞ্চলের আবহাওয়ার বিশেষ রূপ ‘এল নিনো’। প্রশান্ত মহাসাগরের জলবায়ুর এই পরিবর্তনের বিষয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে এল নিনো সক্রিয় হওয়ার শঙ্কা ৮০ শতাংশ। আর আগামী নভেম্বরের মধ্যে এর শক্তি সঞ্চয়ের আশঙ্কা প্রায় ৯০ শতাংশ। মঙ্গলবার (২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ডব্লিউএমও। সাধারণত মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘এল নিনো’ বলা হয়। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘বিজ্ঞান স্পষ্ট—আগামী মাসগুলোতে ৯০ শতাংশ নিশ্চিত বার্তা নিয়ে এল নিনো আমাদের দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। বিশ্ববাসীকে এটিকে একটি জরুরি জলবায়ু সতর্কতা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’ এল নিনো কী এবং এর প্রভাব কতখানি? এল নিনো একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াগত প্রক্রিয়া, যা সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পর পর ফিরে আসে। এর স্থায়িত্ব হয় প্রায় নয় থেকে ১২ মাস। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বাতাস, বায়ুচাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। ডব্লিউএমওর তথ্যমতে, এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চল, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অংশ, হর্ন অব আফ্রিকা (আফ্রিকার শিং খ্যাত অঞ্চল) এবং মধ্য এশিয়ায় বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। এর বিপরীতে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে তীব্র খরা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হ্যারিকেন বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে। জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘এবারের এল নিনো মাঝারি থেকে তীব্র রূপ নিতে পারে। এর প্রভাব হবে আরও সুদূরপ্রসারী এবং অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তা সীমান্ত পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়বে।’ সূত্র: আল-জাজিরাকেএএ/

Go to News Site