Jagonews24
লেবাননে হামলার ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ‘প্রকাশ অযোগ্য’ শব্দে গালি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ‘পাগলের মতো আচরণ করছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। এছাড়া ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইমাম মোজতবা খামেনির সঙ্গে দেখা করার বিষয়ে আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বুধবার (৩ জুন) প্রকাশিত নিউ ইয়র্ক পোস্টের ‘পড ফোর্স ওয়ান’-এ সাংবাদিক মিরান্ডা ডিভাইন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা নিশ্চিত করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে দি জেরুজালেম পোস্ট। গত সোমবার (১ জুন) ট্রাম্পের অকথ্য গালি দেওয়া তথা এমন ভাষা ব্যবহারের খবর প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। যদিও এর পরে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সেই বর্ণনা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ব্যাখ্যা করেন যে, তিনি রাগান্বিত না থাকলেও লেবাননের সঙ্গে তার (নেতানিয়াহুর) অবিরাম সংঘাত নিয়ে কিছুটা বিরক্ত ছিলেন। ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি বিবিকে (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) খুব পছন্দ করি। আমি যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট, আর তিনি যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী।’ এছাড়া, নেতানিয়াহু তাকে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন-এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করে ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্ত আমারই ছিল। ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না কারণ এতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে এবং সম্ভবত প্রথম আঘাতটিই ইসরায়েলের ওপর আসবে।’ ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ‘আমি না থাকলে ইসরায়েলও থাকত না।’ ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, ইরানিরা তাকে জানিয়েছে যে, ইমাম মোজতবা খামেনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছেন। তবে, তিনি নিজে এ তথ্য নিশ্চিত করতে পারেননি কারণ তার (খামেনি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সৌভাগ্য এখনো হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে দেখা করতে চাই। পরিস্থিতি কীভাবে এগোয় তার ওপর নির্ভর করে হয়তো আমাদের সাক্ষাৎও হবে।’ ট্রাম্প জানান, তিনি আশা করছেন যে চলমান অবরোধ সম্ভবত লেবার ডে-এর মধ্যে তুলে নেওয়া হবে। ট্রাম্পের কিছু পদক্ষেপ তার আগের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে বিভ্রান্ত রাখা কিছু ক্ষেত্রে কৌশলগত সুবিধা দিলেও এর মূল কারণ হলো দেশটির পরিস্থিতি অত্যন্ত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমি এখন একটি উত্তর দিতে পারি, কিন্তু ২০ মিনিট পরে অফিসে গিয়ে এমন কিছু জানতে পারি, যাতে আমার সেই উত্তর আর সঠিক থাকে না।’ কেএম
Go to News Site