Collector
ময়মনসিংহে বিএনপি কর্মী হত্যা: বাড়িঘরে ভাঙচুর, আগুন | Collector
ময়মনসিংহে বিএনপি কর্মী হত্যা: বাড়িঘরে ভাঙচুর, আগুন
Jagonews24

ময়মনসিংহে বিএনপি কর্মী হত্যা: বাড়িঘরে ভাঙচুর, আগুন

ময়মনসিংহ নগরীতে বিএনপিকর্মী রানা মিয়া হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত জামায়াত নেতার বাড়িসহ অন্তত ১২টি ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় একটি খড়ের গাদায় আগুনও দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বুধবার (৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত রানার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্ত পক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালায়। নিহতের স্বজনরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা না করার অনুরোধ জানালেও তা উপেক্ষা করে কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এসময় একটি খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে এলাকায় সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন অটোরিকশাচালক ও স্থানীয় বিএনপিকর্মী রানা মিয়া। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হন। এদিকে এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে নিহতের বড় ভাই মোফাজ্জর হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টারসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন- মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম মাহিন (২০), তোফাজ্জল হোসেন (৪০), হুমায়ুন কবীর আকাশ (২৩) ও মনিরুল ইসলাম (২৪)। বুধবার তাদের আদালতে পাঠিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মফিদুল ইসলাম মাস্টার বলেন, ঘটনার সময় তিনি বা তার ছেলে ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান বলেন, ঘটনাটি রাজনৈতিক কারণে নয় বরং স্থানীয় বিরোধের জেরে ঘটেছে। ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, নিহত রানা বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, মামলায় গ্রেফতার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হোসাইন সুলভ/এফএ/এমএস

Go to News Site