Somoy TV
কক্সবাজারের উখিয়ার মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে একটি বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ঘটনাস্থল থেকে একটি ভারী জি-থ্রি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বিজিবির ৬৪ ব্যাটালিয়নের (উখিয়া ব্যাটালিয়ন) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (৩ জুন) দুপুরে উখিয়ার পালংখালী সীমান্তের নাফ নদীর শূন্য রেখায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার দুপুরে পালংখালী এলাকার বাহারপাড়া নামক স্থানের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর শূন্য লাইনের কাছে মিয়ানমার থেকে জেলের বেশে একটি নৌকায় করে কয়েকজন অস্ত্রধারীকে আসতে দেখে বিজিবি। এ সময় টহলরত ৬৪ বিজিবির বিশেষ দলটি তাৎক্ষণিকভাবে অবস্থান নিয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। জবাবে ওই সশস্ত্র গ্রুপটিও বিজিবিকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে তারা নৌকাটি রেখে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি টহল দল পরিত্যক্ত নৌকাটি তল্লাশি করে ১টি জি-থ্রি রাইফেল, ৩টি জি-থ্রি খালি ম্যাগাজিন, ৩টি খালি ফাইবার ম্যাগাজিন, ৫১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, ৪ হাজার পিস ইয়াবা এবং ১টি জি-থ্রি পোচসহ লুঙ্গি, গেঞ্জি ও সিগারেট উদ্ধার করে। আরও পড়ুন: মাটিচাপায় দুই শ্রমিকের মৃত্যু: ঈদের পর প্রথম কাজে ফিরেছিলেন তারা বিজিবি আরও জানায়, এর আগে গত ৩০ মে বিকেলে হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাব্যিক চর নামক স্থানে জেলের বেশধারী দুই রোহিঙ্গার কাছ থেকে গুলি ছুড়ে ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। বুধবারে পালংখালী বিওপির ঘটনায় উপস্থিত থাকা সশস্ত্র দলটিই ওই ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই গোলাগুলি ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গে মিয়ানমারের উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আরসার (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) সদস্যরা জড়িত। তবে বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্ট কোনো সংগঠনের নাম উল্লেখ না করে কেবল ‘অস্ত্রধারী সশস্ত্র গ্রুপ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
Go to News Site