Collector
চট্টগ্রামে তের দিনের মাথায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চার্জশিট দিলো পুলিশ | Collector
চট্টগ্রামে তের দিনের মাথায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চার্জশিট দিলো পুলিশ
Somoy TV

চট্টগ্রামে তের দিনের মাথায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চার্জশিট দিলো পুলিশ

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার ঘটনায় আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মনির হোসেনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।গত ২১ শে মে বিকেলে চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সাড়ে তিন বছর বয়সী শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটির বাবা ও মা কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে ছিরেন। তারা কেউ বাসায় না থাকার সুযোগে মুনির কৌশলে শিশুটিকে ধর্ষণ ধর্ষণ করে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয় যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে শিশুটি। খবরটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত যুবক মনিরকে আটক করে স্থানীয় মাদ্রাসায় আটকে রাখে। তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের গাড়িতে সে সময় আগুন দেয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল পুরো এলাকা। পুলিশের ভাষ্য, ২২ মে এ ঘটনায় মামলা করা হয়। এর মধ্যে ঈদুল আজহার বন্ধ ছিল। সব মিলিয়ে পাঁচ কর্মদিবসের ও তের দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়েছে। পুলিশ জানায়, ২২ মে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলাটি করেন। পরে বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে শিশুটিও আদালতে জবানবন্দি দেয়। দুজনের জবানবন্দিতে ঘটনার বিবরণ একই। গত সোমবার ডিএনএ নমুনা পাঠানো হয়। প্রতিবেদন আসে গত বুধবার। সব তথ্য-প্রমাণসহ আদালতে অভিযোগপত্র জমা করা হয়। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানান, চার্জশিটে গ্রেফতার মনির হোসেনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে এবং এতে ১০ জনকে সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে হোটেল থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার তিনি আরো বলেন, বুধবার ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরদিনই আদালতে চার্জশিট জমা দেয়া হয়েছে। বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, মামলা দায়েরের সাত কার্যদিবসের মধ্যে এবং ঘটনার ১৩ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে মামলার নথি ডকেট শাখা থেকে ষষ্ঠ আমলি আদালতে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, মেডিকেল রিপোর্ট, আসামির ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দি এবং অন্যান্য তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। তদন্তে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। সবার সহযোগিতার কারণে দ্রুত তদন্ত শেষ করা সম্ভব হয়েছে। আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে ১১ মামলার পলাতক আসামি ‘জাম্বু’ গ্রেফতার ঘটনার পরের দিন মেয়ের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছিলেন। এছাড়া পুলিশের কাজে বাধা, গাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনায় অপর আর একটি মামলায় পনের জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Go to News Site