Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শুক্রবার (৫ জুন) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। সীমান্তে ‘পুশ ইন’ উত্তেজনা - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ভারত থেকে অবৈধ পন্থায় বাংলাদেশের দিকে লোকজনকে ঠেলে দেওয়ার বা পুশ ইনের ঘটনায় সীমান্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। গত বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সীমান্তের ১০টি পয়েন্ট দিয়ে অন্তত ১৩০ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চালান ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের কঠোর অবস্থানের মুখে বিএসএফের এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশের সীমানায় অনুপ্রবেশের এই আকস্মিক ও ব্যাপক অপচেষ্টা দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বাহিনীর ঠেলে পাঠানো এবং আরেক বাহিনীর ঠেকিয়ে দেওয়ার যে চিত্র সীমান্তে ছড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় প্রাথমিক পর্যায়ে থাকতেই দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা করে এ সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন তারা। তারা প্রকাশ্যে খুন করে, প্রচারণা চালায়, দোয়া চায় ফেসবুকে - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুলনা নগরের প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো মোড়। এলাকাটি দিনের বেশির ভাগ সময় সরগরম থাকে। সেই ব্যস্ত জায়গাতেই গত ৪ মার্চ রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সবার চোখের সামনে দিয়ে চলে যায় খুনিরা। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে খুলনায় এভাবে প্রকাশ্যে গুলি, কুপিয়ে হত্যা ও জখমের আলোচিত অর্ধশত ঘটনা ঘটেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গত ২২ মাসে খুলনা শহর ও জেলায় এমন ঘটনা দুই শতাধিক। বেশির ভাগ খুনোখুনির পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ ও পূর্বশত্রুতা রয়েছে বলে স্থানীয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে।বহুমাত্রিক চাপে অর্থনীতি - দৈনিক সমকালের প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের অর্থনীতি বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি। সামষ্টিক অর্থনীতি, আর্থিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন খাত ও সামাজিক চাপ একসঙ্গে তৈরি হয়েছে। অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক নানা ধাক্কা যার কারণ। বর্তমানের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি। সিপিডি বলেছে, শুধু অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নয়, বরং দুর্বল সুশাসন, নীতি বাস্তবায়নে ঘাটতি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাই মূল চ্যালেঞ্জ। সংস্থাটি মনে করে, বাজার নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব সংস্কার, ব্যাংক খাতের স্বচ্ছতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর সংস্কার এবং রফতানি বহুমুখীকরণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। গাছ কমছে, দাবদাহে পুড়ছে দেশ - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তীব্র দাবদাহে পুড়ছে দেশ। আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা এখন তাপপ্রবাহের কবলে। পরিবেশবিদরা বলছেন, গাছ-জলাশয় কমে যাওয়ায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতিতে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। গাছ ও জলাশয় প্রকৃতি থেকে তাপ শোষণ করে ধরণীকে শীতল রাখতে সহায়তা করে। এক গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, দুই দশকে দেশে বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকা কমেছে দুই লাখ ৭০ হাজার হেক্টর। অন্যদিকে গত তিন দশকে তাপপ্রবাহের দিন বেড়েছে ১২ গুণ।ভেজাল খাদ্যের বিষে ‘নীল’ মানবদেহ - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষ ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করে। সেই কষ্টের অর্থ দিয়ে নিজের জন্য কিংবা পরিবার পরিজন ও স্বজনের জন্য খাবার কিনে। ভাত-মাছ তরি-তরকারির পাশাপাশি ফলমূল, মুখরোচক খাবার ও বেকারি সামগ্রি কিনে। সুস্থতার জন্য কিনতে হয় ওষুধ। কিন্তু তার কোনটি কী ভেজাল ছাড়া আছে? সন্ধান পেলেও ব্যস্ত জীবনে কী শুধু খাবার সামগ্রি কেনার জন্য আদৌ দূরদূরান্তে যেতে পারবে? এক কথায় এটি সম্ভব না। এই যখন বাস্তবতা তখন দেশের মানুষ তাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে বাজার ঘাটে, দোকানে, ফুটপাতে বা হাতের কাছে প্রয়োজনীয় যা পায় কিনে নেয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ থাকে মাত্র দেড় শতাংশ - দৈনিক বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম ভূমিকা ও দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয় গবেষণাকে। তবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চার এ সংস্কৃতিতে বহু দিন ধরেই পিছিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রতি অর্থবছরে পরিচালন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যে বাজেট দেয়া হয়, তার মধ্যে মাত্র দেড় শতাংশ বরাদ্দ থাকে গবেষণা খাতে। ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গবেষণায় বরাদ্দের পরিমাণ সামান্য হলেও প্রতি বছর অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সেটাও পুরো ব্যয় করতে পারে না। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এক বছরে গবেষণায় অর্ধকোটি টাকাও ব্যয় করতে পারেনি।
Go to News Site