Collector
লেবাননে হাসপাতাল চত্বরে ইসরাইলের বিমান হামলায় আহত ১২ | Collector
লেবাননে হাসপাতাল চত্বরে ইসরাইলের বিমান হামলায় আহত ১২
Somoy TV

লেবাননে হাসপাতাল চত্বরে ইসরাইলের বিমান হামলায় আহত ১২

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ লেবাননে অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন মতে, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ইসরাইলি যুদ্ধবিমান চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, যা দক্ষিণ লেবাননের টাইর শহরে জাবাল আমেল হসপিটালের পাশে আঘাত হানে। এতে হাসপাতাল ভবনে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এছাড়া একটি ব্যাংক ভবন ধ্বংস হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হন। আল আরাবিয়া নিউজ চ্যানেলের তথ্যমতে, এর আগে গত সোমবার (১ জুন) এই জাবাল আমেল হাসপাতালের পাশে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত হন। এদিকে দক্ষিণ লেবাননের দোয়াইর শহরে রাতে একটি ভবনে আরেকটি বিমান হামলায় একজন নিহত এবং একজন আহত হন। অন্যদিকে আজ শুক্রবার (৫ জুন) সকালে একটি ড্রোন হামলায় হাবুশ সড়কে একটি মোটরসাইকেলে আঘাত লাগে, এতে একজন আহত হন। এর পাশাপাশি নাকৌরা এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় গোলাবর্ষণ ও হামলা চালানো হয়েছে। আয়তা আশ-শাব শহরে একটি হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টাইর শহরে রাতভর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হাসপাতালের খুব কাছেই একটি ভবনে আঘাত লাগে, যা আংশিকভাবে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। আরও পড়ুন: লেবাননে অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির চিকিৎসা কর্মকর্তাদের মতে, হাসপাতালের খুব কাছে বারবার হামলা করা হচ্ছে যাতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভয় দেখানো যায় এবং সরাসরি হাসপাতাল লক্ষ্য না করেও ক্ষতি করা যায়। এদিকে কয়েক সপ্তাহ পর প্রথমবারের মতো দক্ষিণ লেবাননের দেব্বিন এলাকায় প্রবেশ করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী, যেখানে আগে ইসরাইলি বাহিনী ছিল এবং পরে সরে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত বুধবার (৩ জুন) ওয়াশিংটনে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয় ইসরাইল ও লেবানন। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়া ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে। বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার শর্ত হলো, হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি হামলা বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে গোষ্ঠীটির সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে একমত হয়েছে। এসব এলাকা লেবানিজ সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সেখানে কোনো অরাষ্ট্রীয় পক্ষ বা সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারবে না। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, ইসরাইলের আগ্রাসন অব্যাহত লেবানন সরকার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি আলোচনা তাদের জন্য ‘শেষ সুযোগ’। তবে হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে। গোষ্ঠীটির নেতা নাইম কাসেম এই আলোচনাকে ‘অপমানজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। এদিকে লেবাননের ওপর ইসরাইলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহকে বাদ দিয়ে করা ইসরাইল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

Go to News Site