Somoy TV
স্বাদে-গন্ধে কোন জেলার আম সেরা? একসময় এই মুকুটের একচ্ছত্র দাবিদার রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ হলেও, গত এক দশকে সাতক্ষীরার হিমসাগর কিংবা রংপুরের হাড়িভাঙা সেই সমীকরণ অনেকটাই বদলে দিয়েছে। এছাড়া খুব চমৎকার বৈশিষ্টের আম উৎপাদন হচ্ছে ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, যশোর, ময়মনসিংহসহ দেশের আরও প্রায় ২৩টি জেলায়। আমের স্বাদ, ভেতরের বিজ্ঞান ও বাজারের আদ্যোপান্ত থেকে চলুন জানার চেষ্টা করি কোন অঞ্চলের আম সেরা।একই জাতের আম, অথচ দেখা যায় দেশের এক প্রান্তে যখন পেকে শেষ, অন্য প্রান্তে তখনো আঁটি শক্ত হচ্ছে। এর মূল কারণ, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অক্ষাংশ।অঞ্চলভেদে আমের মৌসুমের ভিন্নতা এবং স্বাদ-গন্ধের পার্থক্যের বিষয়টি বুঝতে কথা হয় আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র- বারি ও আম গবেষণা কেন্দ্র, চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শরফ উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, আমের মিষ্টতা ও স্বাদ নির্ভর করে সেই অঞ্চলের আবহাওয়া কতটা শুষ্ক তার ওপর।প্রতি ১ ডিগ্রি অক্ষাংশ বাড়ার কারণে আম সংগ্রহ করতে ৩ দিন দেরি হয়। সেই হিসাবে সাতক্ষীরার চেয়ে রাজশাহীর আম অন্তত ৬ দিন পরে পাকার কথা। একইভাবে নওগাঁয় ৭ দিন, রংপুরে ৯ দিন এবং পঞ্চগড়ে ১৩ দিন পিছিয়ে যাবে আম সংগ্রহ।বাংলাদেশ ২০° থেকে ২৬° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। পাকার সময়ের হিসাব অনুযায়ী সাতক্ষীরার অবস্থান নিচের দিকে (২২.৬৪°)। অন্যদিকে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ (২৪.৫৪°) এবং পঞ্চগড় আরও উঁচুতে (২৫.৮৫° থেকে ২৬.৩°)। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অক্ষাংশের কারণে একেক অঞ্চলে একেক সময় আম পাকে। ছবি: পিক্সেলসড. মো. শরফ উদ্দিন জানান, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটি মূলত পলি ও বেলে-দোঁয়াশ এবং আবহাওয়া কিছুটা শুষ্ক ও চরমভাবাপন্ন। গরমের সময় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামে না। এই তীব্র তাপ ও রুক্ষ আবহাওয়া ফ্রুট ডেভেলপমেন্টের সময় আমের ভেতরের সুগার কনটেন্ট (মিষ্টির তীব্রতা) ও সুবাসকে ঘনীভূত করে, যা আমকে এক অনন্য ‘আভিজাত্য’ এনে দেয়।অন্যদিকে সাতক্ষীরা অঞ্চলের মাটি কিছুটা লবণাক্ত ও এঁটেল-দোঁয়াশ এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি। এই মাটির কারণে সাতক্ষীরার আম তুলনামূলক বেশি রসালো, আঁশহীন এবং এর মিষ্টি স্বাদে একটা ভিন্ন কোমলতা থাকে। তবে আবহাওয়ার কারণে তীব্র সুমিষ্টতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জই শীর্ষে থাকে।বৈজ্ঞানিক ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ১২ থেকে ১৫ মে’র আগে সাতক্ষীরার হিমসাগর বা গোবিন্দভোগ আম পাড়ার কথা নয়। সমস্যা হলো ভরা মৌসুমে আমের দাম ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হলেও চাষীরা চড়া দামের আশায় (কেজিতে ১২০-১৮০ টাকা) অপরিপক্ব আম পেড়ে বাজারে নিয়ে আসে। গবেষকরা এটিকে এক ধরণের অপরাধ হিসেবেই দেখছেন। কারণ, এই আগাম অপরিপক্ব আমে কোনো স্বাদ-সুগন্ধ থাকে না এবং ভোক্তারা প্রতারিত হন।বাংলাদেশের ৭ ‘জিআই’ আমবর্তমানে বাংলাদেশের ৭টি আম ‘রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক মানের উৎপত্তিপত্র’ বা ভৌগোলিক নির্দেশক (GI - Geographical Indication) সনদ পেয়েছে। এই মর্যাদাপূর্ণ ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে তীব্র সুবাস ও মাখন-সদৃশ আঁশহীন শাঁসের চাঁপাইনবাবগঞ্জের ‘ক্ষীরশাপাত’ এবং পাতলা আঁটি ও তীব্র ঝাঁঝালো মিষ্টি স্বাদের ‘ল্যাংড়া‘।রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের যৌথ গৌরবে আছে আকারে বিশাল, দেরিতে পাকা এবং মিষ্টি ও অম্লের দারুণ সংমিশ্রণের ‘ফজলি’ আম।চাঁপাইনবাবগঞ্জের লেট ভ্যারাইটি বা নাবি জাতের ‘আশ্বিনা’ আম ফ্রুট ব্যাগিং প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বাজারে পাওয়া যায় এবং চড়া দামে বিক্রি হয়।এছাড়া নওগাঁর বিশেষ আকৃতির জনপ্রিয় জাত ‘নাকফজলি’ এবং রংপুরের আঁটি ছোট, মাংসল অংশ বেশি ও সম্পূর্ণ আঁশহীন ‘হাড়িভাঙা’ নিজস্ব গৌরব অক্ষুণ্ন রেখেছে।এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদি আভিজাত্যের আম ‘গোপালভোগ’। এক সময় শুধু রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জকে আমের এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে অনেক জেলায় ভালো মানের আম চাষ হচ্ছে। ছবি: পিক্সেলস আরও পড়ুন: আমে সয়লাব সাতক্ষীরার বাজার, অর্ধেকের নিচে নেমেছে দামজয় কার হলো?বিজ্ঞান, চাষী, অনলাইন উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের মতামত এক করলে দেখা যায়, আমের এই স্বাদের লড়াইয়ে এককভাবে বিজয়ী নির্ধারণ করা মুশকিল। তবে আপনি যদি মৌসুমের শুরুতে (মে মাসে) সম্পূর্ণ আঁশহীন, মিষ্টি ও মাখনের মতো রসালো আম খেতে চান, তবে আপনার জন্য সেরা সাতক্ষীরার হিমসাগর বা গোবিন্দভোগ। আর যদি আমের আদি আভিজাত্য, কড়া সুবাস আর তীব্র মিষ্টির ঝাঁঝ নিতে চান, তবে আপনাকে জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া, ক্ষীরশাপাত কিংবা ফজলির জন্য। আসলে প্রকৃতির এই বৈচিত্র্যই বাংলাদেশের আমকে পৃথিবীর অন্যতম সেরা করেছে। ৩৭ দেশের সুপারশপে বাংলাদেশের আম, তবু কাঙ্ক্ষিত টাকা পাচ্ছেন না চাষীরা ড. মো. শরফ উদ্দিন বলেন, ‘বারি আম-৪’ কিংবা নতুন ‘বারি আম-১৭’-এর মতো প্রায় ১৬টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করলেও মাঠের প্রকৃত অর্থনৈতিক চিত্র বেশ জটিল; যা চাষীদের জন্য স্বস্তির নয়।ভরা মৌসুমে ১ মণ (৫৪ কেজিতে) আমের পাইকারি দাম নেমে আসে মাত্র ১,৮০০ থেকে ২,২০০ টাকায়। কেজি প্রতি হিসাব করলে দাঁড়ায় মাত্র ৩৩ থেকে ৪০ টাকা। চাষীদের এই লোকসানের বড় কারণ হলো, দেশে উৎপাদিত মোট আমের মাত্র ১২ থেকে ১৫ শতাংশ প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে জুস ও আমসত্ত্বে রূপান্তরিত হয়। গুটি কয়েক বড় ফ্যাক্টরির মনোপলি বা একচেটিয়া বাজারের কাছে এটি জিম্মি হয়ে আছে।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই প্রক্রিয়াজাতকরণের হার যদি ২৫ শতাংশে উন্নীত করা যেত, তাহলে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হতো এবং চাষীরা তাদের উৎপাদিত আমের ভালো দাম পেতেন।মাঠের এই নানামুখী সংকট পেরিয়ে বাংলাদেশের আম এখন ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৩৮ থেকে ৪০টি দেশের সুপারশপগুলোতে জায়গা করে নিচ্ছে। বৈশ্বিক মার্কেটে বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে আছে সাতক্ষীরা জেলা।এর কারণ, মে মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে যখন আমের চাহিদা তুঙ্গে থাকে, তখনই সাতক্ষীরার আম সবার আগে পেকে বাজারে চলে আসে। তাছাড়া ইউরোপীয় ভোক্তারা খুব বেশি তীব্র বা কড়া মিষ্টি পছন্দ করেন না। তারা আমের মৃদু মিষ্টি ব্লেন্ড এবং আঁশহীন মাখনের মতো টেক্সচার পছন্দ করেন, যা সাতক্ষীরার হিমসাগরের মধ্যে নিখুঁতভাবে পাওয়া যায়।তবে বিশ্ববাজারের এই বিশাল সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ‘গ্যাপ’ (GAP - Good Agricultural Practices) বা ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ বাস্তবায়ন করা, ভাষা এবং চাষী ও রপ্তানিকারকদের দক্ষতার অভাব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, দেশের আম উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে সংযোগ তৈরি এবং মাঠ পর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির সরবরাহের ফলে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের আঁশহীন ও আকর্ষণীয় আম উৎপাদিত হচ্ছে। আরও পড়ুন: সকালে নাশতার পর পাকা আম খেলে কী ঘটে শরীরে?দুই বছর আগে বিশ্বের ৩৭টি দেশে রেকর্ড ৩,১০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হলেও, বিগত মৌসুমে লজিস্টিক সংকটের কারণে তা কমে ২৭টি দেশে ২,১৯৪ মেট্রিক টনে নেমে আসে। আমের উৎপাদন ভালো হওয়া সত্ত্বেও মূলত আকাশপথে অতিরিক্ত বিমান ভাড়া (এয়ার ফেয়ার) এবং কার্গো স্পেসে জায়গার সংকটের কারণে রপ্তানির এই পতন ঘটে।বিশেষ করে তৈরি পোশাক পরিবহনের চাপের কারণে পচনশীল এই ফল অনেক সময় বিমান থেকে ‘অফলোড’ বা নামিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে ভারত ও পাকিস্তানের বিমান ভাড়া কম হওয়ায় তারা বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় কিছুটা এগিয়ে যাচ্ছে। আমের জীবনকাল বা ‘শেল্ফ লাইফ’ ৮ থেকে ১০ দিন হওয়ায় সমুদ্রপথে ৩-৪ সপ্তাহ সময় নিয়ে আম পাঠানো অসম্ভব, যার ফলে দ্রুততম আকাশপথ ছাড়া রপ্তানির আর কোনো বিকল্প নেই।এদিকে আন্তর্জাতিক চেইনে ভালো দাম পাওয়ার আশায় চাষীরা বাড়তি খরচে প্রমিয়াম আম উৎপাদন করলেও, রপ্তানি করতে না পেরে দেশের বাজারে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে মাঠ পর্যায়ে কিছুটা হতাশা তৈরি করছে। আমের জীবনকাল ৮ থেকে ১০ দিন হওয়ায় সমুদ্রপথে ৩-৪ সপ্তাহ সময় নিয়ে আম পাঠানো অসম্ভব, যার ফলে দ্রুততম আকাশপথ ছাড়া রপ্তানির আর কোনো বিকল্প নেই। ছবি: পিক্সেলসমোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, এই সংকট সমাধানে কৃষি, বাণিজ্য এবং সিভিল এভিয়েশন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিমান ভাড়া সহনীয় করতে কৃষিমন্ত্রী নিজে নীতিগত চেষ্টা চালাচ্ছেন। দেশের আমের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাজ্যে গত বছর ৯৪ মেট্রিক টন আম পাঠানো হয়েছে এবং এবার মালয়েশিয়ার নতুন বাজারসহ পূর্বের ৩,১০০ মেট্রিক টনের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।এদিকে দেশের আমের মানচিত্রে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কিংবা সাতক্ষীরার বাইরেও এক নীরব বিপ্লব ঘটে চলেছে, যা আড়ালেই রয়ে যাচ্ছে ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে। ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, যশোর, ময়মনসিংহসহ দেশের আরও প্রায় ২৩টি জেলায় এখন প্রচুর পরিমাণে আম উৎপাদিত হচ্ছে। কিন্তু নিজস্ব জেলাভিত্তিক ব্র্যান্ডিং না থাকায় এই ২৩ জেলার ‘বেনামী’ আমগুলো যখন ঢাকার বড় বড় বাজারে এসে পৌঁছায়, তখন তা রাজশাহী বা সাতক্ষীরার আম নামে বিক্রি হতে থাকে। এর ফলে চুয়াডাঙ্গা বা ঝিনাইদহের সাধারণ চাষীরা দিনরাত পরিশ্রম করে চমৎকার আম উৎপাদন করেও দিনশেষে না পান সঠিক মূল্য, না পান তাদের অঞ্চলের উৎপাদিত আমের স্বীকৃতি।ই-কমার্স ট্রেন্ড: বাগান থেকে সরাসরি ড্রয়িংরুমেবর্তমানে ফেসবুক এবং ই-কমার্সের কল্যাণে মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি বাগান থেকে আম হোম ডেলিভারির বিষয়টির ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। এই ডিজিটাল বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝতে মাঠ পর্যায়ের দুজন উদ্যোক্তার অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, অনলাইনের কল্যাণে আম বাণিজ্যের চিরাচরিত রূপ অনেকটাই বদলে গেছে।প্রায় ১০ বছর যাবত রাজশাহী থেকে ‘আম রাজ বিডি’ নামে অনলাইন-ভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন সেলিম রেজা। তিনি জানান, অনলাইনে সব সময়ের মতোই রাজশাহীর ল্যাংড়া, আম্রপালি ও গোপালভোগের চাহিদা বেশি। বিশেষ করে বিভিন্ন কর্পোরেট গিফটের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর ল্যাংড়ার কোনো বিকল্প নেই। প্রবাসীরাও দেশের বাইরে থেকে দেশে থাকা তাদের পরিবারের জন্য প্রচুর আমের অর্ডার দিচ্ছেন।চলতি মৌসুমে কোরবানি ও ঈদের কারণে মাঝে অর্ডার কিছুটা কমলেও পরবর্তীতে তা বেশ ভালোভাবেই বেড়েছে জানান তিনি। তবে বর্তমানে ক্যারেট, পেপার ও প্যাকেজিংসহ সমস্ত লজিস্টিকস উপকরণের দাম এত বেশি যে, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কাঙ্ক্ষিত প্রফিট করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।অনলাইন আম বাজারে ২০১৫ সাল থেকে কাজ করা আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘সাতক্ষীরা শপ ডট কম’ এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ হাবিব দাবি করেন, তারা গ্রাহকের অর্ডার পাওয়ার পর সরাসরি বাগান থেকে আম হার্ভেস্ট বা পাড়ার কাজ করে এবং সেদিনই নিখুঁতভাবে প্যাকিং করে কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেয়। প্রথাগত বাজারের মতো এখানে আম আড়তে কয়েক হাত বদল হয় না বা কোনো কোল্ড স্টোরেজে মজুত করে রাখা হয় না।
Go to News Site