Collector
বৈঠকের উদ্যোগ তামিমের, আসতে পারে ‘ট্রাই-পার্টি’ চুক্তি | Collector
বৈঠকের উদ্যোগ তামিমের, আসতে পারে ‘ট্রাই-পার্টি’ চুক্তি
Jagonews24

বৈঠকের উদ্যোগ তামিমের, আসতে পারে ‘ট্রাই-পার্টি’ চুক্তি

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটারদের ম্যাচ বর্জনের ঘটনায় সমাধানের পথ খুঁজতে চান বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে ট্রাই-পার্টি চুক্তির বিষয়টিও বিবেচনায় আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার বিসিবির নির্বাচনে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে অংশ নেওয়া ১৬ জন প্রার্থী কাউন্সিলদের সঙ্গে গ্রান্ড মিট আয়োজন করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ওল্ড ডিওএইচএস কাউন্সিলর ও পরিচালক প্রার্থী তামিম ইকবাল। সেখানে ব্রাদার্স ইস্যু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, এটা সবকিছুর বিষয়ে দেখতে হবে। আমি যেটা বললাম যে আমি যে পজিশনে আছি, কথা না বলার আগেই কোনো কমেন্ট করাটা উচিত হবে না। আমি তাদের সাথে, তারাও যোগাযোগ করেছে আমার সাথে। অ্যাডহক কমিটির সাথে আলোচনা করে তাদেরকে যদি একটা কালকে (আজ) সময় দেওয়া যায়, আর দুই পার্টিকে ডেকে বসে জিনিসটা সমাধান করাটা ইম্পর্ট্যান্ট। ওটাই আমরা চেষ্টা করব।’ চলমান ঢাকা লিগের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি লিগটার দিকে তাকান, দেখবেন খুব চমৎকারভাবে প্রতিযোগিতা চলছে। আবাহনী যদি আগামীকাল জিতে যায়, এরপর পরের ম্যাচটিও জিততে পারে, তাহলে আবাহনী ও মোহামেডানের মধ্যে ফাইনালও হতে পারে। অর্থাৎ দারুণ একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমি আশা করি, চলমান সমস্যাটারও সমাধান হয়ে যাবে।’ খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ইস্যুতে বোর্ডের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তামিম বলেন, ‘আপনাদের যদি মনে থাকে, এই জিনিসটাও ক্লিয়ার করে দিই যে আমি আমার এক প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলাম, যখনই এই পেমেন্ট নিয়ে ইস্যু আসে, তখন কিন্তু এটা বোর্ডের লায়াবিলিটি না। এটা হলো প্লেয়াররা যখন ক্লাবের সাথে কন্ট্রাক্ট করে, কী কন্ট্রাক্ট, কিভাবে করছে, এটা ওই দুই পার্টির।’ তবে ভবিষ্যতে এমন সমস্যা ঠেকাতে নতুন কাঠামো নিয়ে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি, ‘ভবিষ্যতে এই জিনিসগুলো যেরকম রেগুলার বেসিসে হচ্ছে, আগেও হয়েছে, এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতে এটাকে ট্রাই-পার্টি কন্ট্রাক্টে আনা যায় নাকি, এটা নিয়ে আমাদের একটু চিন্তা করে দেখতে হবে। কারণ প্রতিটা সিজনে কারো না কোনো না কোনো টিমের এই অভিযোগ আসছে। আর আজকে থেকে না, লাস্ট ১০-১৫-২০ বছর ধরে চলছে।’ এ প্রসঙ্গে বিসিবির আর্থিক সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তামিম বলেন, ‘এই জিনিসটাকে আমরা চেঞ্জ করে ট্রাই-পার্টি কন্ট্রাক্ট করলো…বিসিবি কিন্তু ক্লাবগুলোকে একটা খরচ দেয় এখন, ২৫-৩০ লাখ টাকার মতো একটা খরচ দেয়। বিসিবিরও জানা উচিত, যদি এরকম ধরনের কোনো ইস্যু আসে।’ যদিও এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে চান না তামিম, ‘আমি বলছি না, আমি শিওর না,কিন্তু আমি সবার সাথে কথা বলে আর সামনে যে ইলেক্টেড বোর্ড আসবে, আশা করি তারাও এই জিনিসটা দেখবেন যে প্রিমিয়ার লিগে ট্রাই-পার্টি কন্ট্রাক্ট করা যায় নাকি। তাহলে হয়তো বা এই সমস্যাগুলো অনেকটা কমে আসবে।’ এসকেডি/আইএন

Go to News Site