Jagonews24
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক শিরোপার জয়ের স্বপ্ন পূরণের জন্য মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে ১-১ গোলে। ৪২ মিনিটে ভারত এগিয়ে গিয়েছিল। তবে প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে ঋতুপর্ণা দুর্দান্ত গোল করে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনেন ম্যাচে। সেমিফাইনাল নেপালের বিপক্ষে খেলা একাদমে দুটি পরিবর্তান এনে ফাইনালের একাদশ সাজান কোচ পিটার বাটলার। উমেহলা মারমা ও সুরভী আকন্দ প্রীতিকে বেঞ্চে বসিয়ে কোচ পিটার বাটলার শুরুর একাদশে রাখেন শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুনকে। গোলরক্ষক হিসেবে মিলির ওপরই আস্থা রেখেছেন পিটার বাটলার। ১২ মিনিটে ঋতুপর্ণা বাম দিক দিয়ে ঢুকে বক্সে ফেলেন তহুরার উদ্দেশ্যে। তহুরা বল দারুণ ক্রস দিয়েছিলেন। তবে শামসুন্নাহার জুনিয়র বল-পায়ে সংযোগ ঘটাতে পারেননি। ম্যাচের প্রথম সহজ সুযোগ নষ্ট হয়। দুই মিনিট পরর তহুরা এককভাবে ভারতের বক্সে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। ভারতের ডিফেন্ডার জুলি কিশান শট নেওয়ার সুযোগই দেননি তহুরাকে। ৩০ মিনিটে আভিকা শিংয়ের হেডে পরাস্ত হয়েছিলেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার। তবে বল ক্রসবার ঘেঁষে বাইরে চলে গেলে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। মানিষা একা পেয়েছিলেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলিকে। শটও নিয়েছিলেন। তবে মিলি ডান দিকে ঝাপিয়ে দুর্দান্তভাবে সেভ করেন। যদিও লিড নিতে বেশি সময় নেয়নি ভারত। ৪২ মিনিটে পিয়ারি শাশা স্বাগতিকদেনর এগিয়ে দেন। মাঝমাঠ থেকে আসা বল ধরে প্রথমে শামসুন্নাহারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন। আফরিন চেষ্টা করিছিলেন আটকাতে। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের মাথার ওপর দিয়ে পিয়ারি বল পাঠিয়ে দেন জালে। মিলি এগিয়ে থাকায় হাত লাগানোর চেষ্টা করেও পারেননি। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটেই বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান ঋতুপর্ণা চাকমা। তহুরা খাতুনের ডিফেন্সচেরা পাস ধরে ঋতুপর্ণা গোলরক্ষকের বাম দিক দিয়ে নিঁখুত প্লেসিংয়ে বল পাঠান জালে। ঋতুপর্নার গোল মানেই দর্শণীয়। ফাইনালে তা দেখালেন আরেকবার। বাংলাদেশ একাদশ মিলি আক্তার (গোলরক্ষক), আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, মৌমিতা খাতুন, সুরভী আক্তার আফরিন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, ঋতুপর্ণা চাকমা, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকা, তহুরা খাতুন, শাসমুন্নাহার জুনিয়র। আরআই/আইএইচএস/
Go to News Site