হত্যার পর ঘরের একটি কক্ষে শাশুড়ি বেবী বেগমের মরদেহ খাটের নিচে, তাঁর নাতি শামীমের মরদেহ ট্রাংকের ওপর ও মুস্তাকিমের মরদেহ একটি ওয়ার্ডরোবের ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখেন রফিকুল।