Collector
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নির্ভর করছে তেহরানের জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের ওপর: ইরান | Collector
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নির্ভর করছে তেহরানের জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের ওপর: ইরান
Somoy TV

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নির্ভর করছে তেহরানের জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের ওপর: ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নির্ভর করছে ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক ইরানের জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে দেয়ার সম্মতির ওপর।শুক্রবার সিএনএন-কে এমনটাই জানিয়েছেন ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় যুদ্ধ শুরু করলে তারা এক অন্ধকার পথে প্রবেশ করবে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই তেহরানে সিএনএন-কে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আলোচনা অচলাবস্থায় রয়েছে এবং (মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড) ট্রাম্পকে অবশ্যই এই অচলাবস্থা ভাঙতে হবে। এখন বল ট্রাম্পের কোর্টে।’ আরও পড়ুন:ট্রাম্পের সঙ্গে মোজতবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নাকচ ইরানেরজানা গেছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথেই জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলার এবং পরবর্তী পর্যায়ে আরও ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ার দাবি জানিয়েছে। রেজাই, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্তির দাবিকে একটি আস্থা-নির্মাণকারী পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন এবং বলেন যে ট্রাম্প প্রশাসনের এই তহবিল মুক্তির সম্ভাবনা ইরান ও আমেরিকার ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তিনি বলেন, যদি তিনি (ট্রাম্প) ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চান, তবে এই ২৪ বিলিয়ন ডলার হলো ট্রাম্পের সঙ্গে ইরানের আস্থার একটি পরীক্ষা – এই পরীক্ষায় আমেরিকাকে অবশ্যই উত্তীর্ণ হতে হবে এবং পথ খুলে যাবে। তিনি আরও বলেন, এটা আমাদের নিজেদের টাকা, আমেরিকার টাকা নয়। এদিকে, প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন যে, এই পর্যায়ে তহবিল ছাড় করা হলে তা শাসকগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নষ্ট করে দিতে পারে। এছাড়া ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যেকোনো চুক্তিকে অবশ্যই ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তির চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হতে হবে। এছাড়া রেজাই সতর্ক করে আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত পুনরায় শুরু করলে ইরান পারস্য উপসাগরের বাইরে যুদ্ধকে টেনে নিয়ে যাবে এবং সামরিক অভিযান হরমুজ প্রণালী থেকে ভারত মহাসাগর, বাব আল-মান্দাব প্রণালী, লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত প্রসারিত করতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত যেসব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে আসছি, সেগুলোতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধকে একটি নতুন মাত্রা দেব।’ আরও পড়ুন:যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পথে বড় বাধা নেতানিয়াহু: দ্য গার্ডিয়ান ট্রাম্পের সঙ্গে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বৈঠকের সম্ভাবনাও নাকচ করেন রেজাই। সূত্র: সিএনএন

Go to News Site