Somoy TV
চাঁদপুরে হাইমচরের মেঘনা নদী থেকে অভিনব কৌশলে বালু উত্তোলন করছিল একটি চক্র। আর অবৈধভাবে তোলা সেই বালু বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। সেখানে হানা দিয়েছে সরকারি প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।শনিবার বিকেলে উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের সাহেব বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ৩টি মিনি ড্রেজারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে জড়িত ৩ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায়। অভিযানে তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ ইকবাল। তাদের সঙ্গে ছিল থানা পুলিশের একটি দল। অভিযান সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায় বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনার দূর্গমচর নীলকমল ইউনিয়নের সাহেব বাজার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। তিনি আরও বলেন, অভিনব কৌশলে বিশেষ ধরনের মিনি ড্রেজার এবং তার সঙ্গে মাটির নিচ দিয়ে পাইপের সংযোগ তৈরি করে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিল একটি চক্র। তাদের এমন অনৈতিক কাজের জন্য এরইমধ্যে নদীপাড়ে ফাটল ধরেছে। ফলে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে ওই এলাকা। এরইমধ্যে বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এবং জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানকে জানিয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন: চাঁদপুরের যে বাজারে ব্রাজিল সমর্থকদের ‘প্রবেশ নিষেধ’এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘শুধু হাইমচরের মেঘনা নদী নয়। সদর উপজেলায়ও মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই।’ এদিকে, এমন কাজের সঙ্গে জড়িত আটক ওই তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তাদের চাঁদপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারা হলেন, মোহাম্মদ আশরাফুল আলম (৩৮), কুদ্দুস আলী (৩২) এবং আক্কাস ফকির (৪৫)। একই সঙ্গে জব্দ করা ৩টি মিনি ড্রেজার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় একজন নেতার নাম ভাঙিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিল অসাধু এই চক্র।
Go to News Site