Somoy TV
দক্ষিণ লেবাননে পৃথক দুই ঘটনায় ইসরাইলের দুই সেনা নিহত হয়েছেন। ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে তথাকথিত যুদ্ধবিরতির মধ্যে হিজবুল্লাহর সঙ্গে লড়াই অব্যাহত থাকার মধ্যে শনিবার (৬ জুন) রাতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত সেনাদের মধ্যে একজন ক্যাপ্টেন শাহার গামলা। ২৩ বছর বয়সি এ সেনা সেনাবাহিনীর ইগোজ ইউনিটের কমান্ডো ব্রিগেডের কমান্ডার ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। ইসরাইলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার আলাদা একটি ঘটনায় দক্ষিণ লেবাননে ২১ বছর বয়সি সার্জেন্ট ওহাদ ইয়ারি গুলিতে নিহত হয়েছেন। আইডিএফ জানিয়েছে, এই ঘটনা কীভাবে ঘটল সেনাবাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে। আরও পড়ুন: লেবাননের সেনাবাহিনীর জেনারেলসহ ৩ জনকে হত্যা করল ইসরাইল এদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তাদের যোদ্ধারা হাদাথা শহরের উপকণ্ঠে একটি ইসরাইলি মেরকাভা ট্যাংক এবং ইয়োহমোর আল-শাকিফ শহরের কাছে ইসরাইলি সৈন্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে। শনিবার ইসরাইলি সেনা ও স্থাপনায় অন্তত ২৫টি অভিযান চালানোর দাবি করার পর হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বশেষ এই হামলার কথা জানানো হয়। অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুধুমাত্র শনিবার তারা লেবাননে হিজবুল্লাহর দেড় শতাধিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। আরও পড়ুন: লেবাননের প্রেসিডেন্টের সমালোচনার জবাব দিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত বুধবার (৩ জুন) ওয়াশিংটনে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয় ইসরাইল ও লেবানন। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়া ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে। তবে হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ বহুবার বলেছে যে, তারা ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে স্বীকৃতি দেয় না এবং তা মেনে চলবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, খুব সম্ভবত, ইরান-মার্কিন আলোচনার অংশ হিসেবে লেবাননে একটি শর্তহীন যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত হিজবুল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাবে।
Go to News Site