Collector
টানা ছুটি শেষে খুলেছে স্কুল | Collector
টানা ছুটি শেষে খুলেছে স্কুল
Somoy TV

টানা ছুটি শেষে খুলেছে স্কুল

টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ রোববার (৭ জুন) থেকে আবারও দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হয়েছে নিয়মিত পাঠদান।ঈদুল আজহা, সাপ্তাহিক ছুটি এবং সরকারি ছুটি মিলিয়ে টানা এই দীর্ঘ বিরতির পর লাখো শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শ্রেণিকক্ষে ফিরছে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ছুটি শেষে আজ থেকে দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষার্থীদের আবারও নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। আরও পড়ুন: কমছে এসএসসি-এইচএসসির বিষয় ও কর্মদিবসছুটির আমেজ কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ পড়াশোনার দিকে ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য শিক্ষকদের ধৈর্যশীল ও সহায়ক মনোভাব নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে মনোনিবেশ করানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।এদিকে ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় আবারও হামের সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, স্কুলে অধিক সমাগমে ছড়াতে পারে হাম। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত গরমে শিশুদের চিকেনপক্স ও ডায়ারিয়াও ভাবাচ্ছে তাদের। সংক্রমণ এড়াতে অসুস্থ শিশুদের আইসোলেশনে রেখে বাসায় চিকিৎসা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।দেশে নিয়ন্ত্রিত হাম এবার হানা দিয়েছে লাগামহীনভাবে। তিন মাসের কম সময়ে ছয় শতাধিক প্রাণ কেড়ে নেয়ার পাশাপাশি আক্রান্ত করেছে প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে।হাসপাতালে ভর্তি বেশিরভাগ শিশুই আক্রান্ত হয়েছে পরিবারের অন্য সদস্য থেকে। আবার কেউ সংক্রমিত হাসপাতাল থেকেই। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন বলেন, ‘অতিরিক্ত গরমে হামের সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের চিকেনপক্স, ডায়রিয়াও ভাবাচ্ছে। সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় প্রয়োজনে শিশুদের আইসোলেশনে রাখতে হবে।’ হামে আক্রান্ত শিশুদের সঠিক আইসোলেশনে রেখে বাসায় চিকিৎসা নিলেও অনেক শিশু সুস্থ হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকরা। আরও পড়ুন: লম্বা ছুটি শেষে রোববার খুলছে স্কুল-কলেজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯১টি শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫১৯ জনের। ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৮৭৬ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৫০৩ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬২ হাজার ২৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৮ হাজার ১৫৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে এরইমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

Go to News Site