Jagonews24
বিএনপি সরকার গঠনের পর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তবে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। টিআইবি বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে সার্চ কমিটি থাকলেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দলীয় বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি। শিক্ষাখাত নিয়ে টিআইবি পর্যবেক্ষণে জানায়, ক্ষমতাসীন দলের গুরত্বপূর্ণ পদে থাকা একজনকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিন ও প্রভোস্ট পদে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিবর্তন, সরকার গঠনের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন, সংঘর্ষ ও সহিংসতা। উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ইত্যাদি ইস্যুতে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র দুইটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘঠনা ঘটেছে। টিআইবি জানায়, শিক্ষাখাতে সরকারের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটির পুনর্গঠন, প্রতি বছর বিদ্যালয়ে পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল, লটারির পরিবর্তে বিদ্যালয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি, শিক্ষকদের প্রতিবন্ধি শিশুবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলী নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এনএস/ইএ
Go to News Site